আগামীকাল রাজধানীতে শুরু হচ্ছে পাহাড়ের ‘বিঝু-বৈসু-সাংগ্রাই-বিষু মেলা’
পাহাড়ের বর্ষবিদায় ও বর্ষবরণের উৎসবের ঢেউ লেগেছে রাজধানীতেও। ঢাকায় বসবাসকারী জুম পাহাড়ের মানুষদের আয়োজনে পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়িদের প্রধান সামাজিক ও ঐতিহ্যবাহী উৎসব ‘বিঝু, বৈসু, সাংগ্রাই, বিহু, চাংক্রান ও বিষু’ উপলক্ষে আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে রাজধানীর মিরপুরে শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী বিশেষ বৈচিত্র্যপূর্ণ মেলা। মিরপুর-১৩ নম্বরের শাক্যমুনি বৌদ্ধবিহার প্রাঙ্গণে এ মেলা অনুষ্ঠিত হবে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার শুরু হয়েছে মেলা চলবে শনিবার (১১ এপ্রিল) পর্যন্ত। মেলার আয়োজকেরা জানিয়েছেন, সরকারি নির্দেশনা মেনে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৭টা পর্যন্ত মেলা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
‘ঢাকাস্থ পার্বত্য উদ্যোক্তা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড’ এ মেলার আয়োজক। তাদের সহযোগিতায় আছে ‘সিএইচটি ওয়েলফেয়ার সোসাইটি’। এবার দ্বিতীয়বারের মতো এই রাজধানীতে মেলার আয়োজন করা হচ্ছে।
মেলায় থাকছে ৪০–এর কাছাকাছি স্টল। পাহাড়ের জৈব পদ্ধতিতে উৎপাদিত টাটকা কৃষিপণ্য, জুমচাষের হরেক রকম সবজি, ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্প এবং পাহাড়ি খাবারের সমাহার থাকবে। বিজুর বিশেষ আকর্ষণ পাজন, রকমারি পিঠা, ব্যাম্বু শুট, পাহাড়ের জনপ্রিয় নানা স্বাদের মুন্ডি, মুখরোচক ঝালের আইটেম লাকসোসহ বিভিন্ন পদের খাবারের পসরা নিয়ে দোকানিরা বসবেন। পাওয়া যাবে পাহাড়ি মধু, বিষমুক্ত আনারস, কালো বিন্নিসহ বিভিন্ন প্রজাতির স্টিকি রাইস। প্রতিদিন বিকেলে থেকে সন্ধ্যায় থাকছে বিভিন্ন পাহাড়ি জাতিগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী গান ও নাচের মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। সমাপনী দিনে (১১ এপ্রিল) বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকছে লটারি ড্র।
আগামীকাল মেলার উদ্বোধন করবেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান।
কীভাবে যাবেন
মেট্রোরেলের মিরপুর ১০ স্টেশন থেকে রিকশাযোগে মাত্র ৫ মিনিটে মেলার স্থলে পৌঁছানো যাবে। মেলার স্থান শাক্যমুনি বৌদ্ধবিহারের পাশেই রয়েছে স্কলাসটিকা এবং এসওএস শিশু পল্লী। বিপরীতে রয়েছে বিআরটিএর কার্যালয়।