পুলিশ জানায়, তাঁর কক্ষে একটি চিরকুট পাওয়া গেছে। সেখানে তাঁর মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয় বলে লেখা রয়েছে। তিনি একটি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন।

পুলিশ ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পূর্ব ভাটারার একটি ভাড়াবাসায় পরিবারের সঙ্গে থাকতেন হাসিবুল। তাঁর বাবা আবুল খায়ের পেশায় ঠিকাদার। পড়ালেখা ঠিকভাবে না করায় মাঝেমধ্যে বাবার বকা খেতেন। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে বাবার বকা খেয়ে নিজের কক্ষে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন হাসিবুল। এরপর ওই ঘরে উচ্চ শব্দে গান বাজতে থাকে। তিনি মাঝেমধ্যে এমন করতেন বলে পরিবারের সদস্যরা বিশেষ আমলে নেননি। তবে রাত নয়টা পর্যন্তøগান চলতে থাকায় তাঁদের সন্দেহ হয়। তখন তাঁরা ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া পাননি। একপর্যায়ে বিকল্প ব্যবস্থায় দরজা খুলে ভেতরে হাসিবুলের ঝুলন্ত দেহ দেখেন তাঁরা।

হাসিবুলের ভাই আবদুল কাইয়ুম জানান, তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে হাসিবুল তৃতীয় ছিলেন। বাবার ওপর অভিমান করে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করছে পরিবার। তাঁদের গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি উপজেলায়।

ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হোসেন মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা প্রথম আলোকে বলেন, মরদেহের সঙ্গে একটি সুইসাইড নোট পাওয়া গেছে। সেখানে লেখা রয়েছে—‘আমি তোমার অযোগ্য সন্তান। আমাকে ক্ষমা করে দিও। আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়।’ এই নোটসহ আনুষঙ্গিক আলামত থেকে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তদন্তে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।