র‍্যাব বলেছে, অবৈধভাবে বেতারযন্ত্র ওয়াকিটকি সেট মজুত রেখে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করার অভিযোগ রয়েছে রাকিবুলের বিরুদ্ধে। ওয়াকিটকি ও যন্ত্রাংশ ব্যবহারসংক্রান্ত লাইসেন্স ও কারিগরি গ্রহণযোগ্যতা–সংক্রান্ত সনদ বা কোনো ধরনের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি তিনি। দীর্ঘদিন ধরে অসাধু ব্যবসায়ী ও অপরাধীদের কাছে কালো রঙের ওয়াকিটকি ও যন্ত্রাংশ বিক্রি করছিলেন রাকিবুল।

র‍্যাবের ভাষ্য, বিটিআরসির নির্দেশনা অনুযায়ী সরকারি প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কালো রঙের ওয়াকিটকি সেট ব্যবহার করলে সেটি হবে দণ্ডনীয় অপরাধ।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার রাকিবুল জানান, তিনি একজন ঠিকাদার। তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া ওয়াকিটকি দিয়ে আধা কিলোমিটার পর্যন্ত যোগাযোগ করা সম্ভব। এসব ওয়াকিটকির দাম ৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত। ব্যাটারির চার্জ ধারণের ক্ষমতা অনুযায়ী ওয়াকিটকির দামের তারতম্য হয়ে থাকে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে র‍্যাব আরও জানায়, কারও হাতে ওয়াকিটকি থাকলে মানুষ তাঁকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য হিসেবে বিশ্বাস করে। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ওয়াকিটকি সেট ব্যবহার করে অপরাধীরা ভুয়া ডিবি, র‌্যাব, ডিজিএফআই, এনএসআই সদস্য পরিচয় দিয়ে ডাকাতি, ছিনতাই, অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়সহ অপরাধ করছে।

এ ছাড়া ওয়াকিটকির মাধ্যমে পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ করে অপরাধ করলে পরে অপরাধী শনাক্তে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বাধার মুখে পড়বে। এটি নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে উঠবে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন