আজ বুধবার ঢাকার গেন্ডারিয়ায় ডিএনসির ঢাকা দক্ষিণ অঞ্চলের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়।

বনানী-বারিধারা-গুলশান এলাকায় অভিযান চালিয়ে গত মাসে আইসসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় এ চক্রের প্রধান চন্দন রায়কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গত মাসে ঢাকার বনানী-বারিধারা-গুলশান এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৬১ গ্রাম আইসসহ ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় এ চক্রের প্রধান চন্দন রায়কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে ডিএনসির ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক জাফরুল্ল্যাহ কাজল বলেন, চন্দন রায় ডিগ্রি পাস করে একটি কেমিক্যাল কোম্পানিতে চাকরি করার সময় বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়েন। পরে চাকরি ছেড়ে লাগেজ পার্টির সদস্য হয়ে বিদেশ থেকে স্বর্ণ ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী পাচার শুরু করেন। করোনার প্রাদুর্ভাবের সময় মালয়েশিয়ায় থাকা এক আত্মীয় ও নোয়াখালীর এক ব্যক্তির মাধ্যমে মাদকের কারবারে জড়ান তিনি। অভিজাত এলাকার তরুণ-তরুণীদের বাসায় ‘হোম ডেলিভারি’ দিতেন। এসব এলাকার বিভিন্ন পার্টিতেও নিয়মিত আইস সরবরাহ করতেন তিনি।

চন্দন রায়ের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ওয়ারী থানায় মামলা করা হয়েছে জানিয়ে জাফরুল্ল্যাহ কাজল বলেন, এ অপরাধের সর্বনিম্ন সাজা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড।