কালিদাস কর্মকারের আঁকা এসব শিল্পকর্মে উঠে এসেছে মনের অব্যক্ত ভাব, কখনোবা নিজের প্রতিকৃতি। শিল্পীর অনেক ছবিতে আছে নিজের দেশ। প্রদর্শনীর কয়েকটি ছবি ১৯৯৯ সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ভ্রমণের সময়ে শিল্পীর আঁকা। এর অধিকাংশই আত্মপ্রতিকৃতি।

প্রদর্শনীর তৃতীয় দিন আজ রোববার বিকেলে শিল্পাঙ্গন গ্যালারিতে গিয়ে দেখা যায়, তিন তরুণ শিল্পী কালিদাস কর্মকারের আঁকা শিল্পকর্ম নিয়ে আলোচনা করছেন। দর্শকের জন্য প্রতিদিন বেলা তিনটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত উন্মুক্ত থাকছে প্রদর্শনী।

বাংলাদেশে নতুন ধারার শিল্প আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা শিল্পী কালিদাস কর্মকার পূর্বসূরিদের অনুকরণ না করে তৈরি করেছেন নিজের স্বতন্ত্র ধারা। ছাপচিত্র, স্থাপনা ও মিশ্র মাধ্যমে তাঁর নিরীক্ষাধর্মী কাজ বাংলাদেশের শিল্পবোদ্ধাদের জন্য চিরস্মরণীয় বলে জানালেন প্রদর্শনীর আয়োজকেরা। ২০ জানুয়ারি শুক্রবার শুরু হওয়া এ প্রদর্শনীর নাম রাখা হয়েছে ‘রিকারেন্স’। এবার প্রদর্শনী উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে এসেছিলেন কালিদাস কর্মকারের মেয়ে কনকা কর্মকার।

ভারত, পোল্যান্ড, ফ্রান্স, জাপান, কোরিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে সমকালীন চারুকলার নানা মাধ্যম নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন শিল্পী কালিদাস কর্মকার।

বাংলাদেশের চিত্রকলার ইতিহাসে অসামান্য অবদানের জন্য শিল্পী জীবদ্দশায় পেয়েছেন একুশে পদকসহ অনেক সম্মাননা। ২০১৯ সালের ১৮ অক্টোবর মারা যান এই বরেণ্য শিল্পী।