রোববার উপাচার্যকে দেওয়া চিঠিতে বলা হয়েছে, ভর্তি-ইচ্ছুকদের পছন্দের তালিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান। শিক্ষা ও গবেষণায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সারা দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে এক অনন্য অবস্থান তৈরি করে এগিয়ে যাচ্ছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিপ্রক্রিয়া ও কৌশল উন্নততর হওয়ায় যখন তা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো পুরোনো বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গ্রহণ করেছে, ঠিক সেই মুহূর্তে সাধারণ শিক্ষকদের সঙ্গে কোনো পরামর্শ না করেই প্রশাসনিক একক সিদ্ধান্তে গুচ্ছ পদ্ধতির নামে নতুন এক পরীক্ষা পদ্ধতির মধ্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে ঢোকানো হয়।

চিঠিতে আরও বলা হয়, গুচ্ছ পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়ায় শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমার পরিবর্তে আরও বেড়েছে। এ ছাড়া আর্থিক স্বচ্ছতার অভাব, অপেক্ষাকৃত দুর্বল মেধার শিক্ষার্থী প্রাপ্তিসহ নানা সমস্যার কারণে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ব্যাপকভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি গত বছরের ১৮ এপ্রিল তৃতীয় সাধারণ সভায় উপরিউক্ত সমস্যা সমাধানে ১০ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যমাত্রা দিয়ে শেষবারের মতো গুচ্ছে থাকার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু অধিকাংশ দাবি বাস্তবায়ন না হওয়ায় গত বছরের ১৯ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা সর্বসম্মতিক্রমে গুচ্ছ পদ্ধতি থেকে বের হয়ে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় এককভাবে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন।

রোববারের সাধারণ সভায় শিক্ষক সমিতির সভাপতি আইনুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমানসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকেরা উপস্থিত ছিলেন।