ইন্টারন্যাশনাল ল্যান্ড কোয়ালিশনের প্রতিনিধি মিরগুল আমানিলাভা বলেন, নারী শুধু পুরুষকে বাঁচায় না, তারা বিশ্বকেই বাঁচাতে পারে। নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা বন্ধের লক্ষ্যে তারা ৩০ বছর ধরে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি দিয়ে আসছে। নারীরাই এই পৃথিবীকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে পারে। এর আগে নারীদের প্রতি সব ধরনের নির্যাতন বন্ধ করার জন্য তিনি সবাইকে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানান।

সভায় বেসরকারি সংগঠন এএলআরডির ব্যবস্থাপক সানজিদা খান বলেন, ‘নারীর প্রতি সহিংসতা দূর করার ব্যাপক প্রচারাভিযান চালাতে হবে। নারীর প্রতি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করতে হবে।’ নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধে মিডিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বলে তিনি মনে করেন।

বেসরকারি সংগঠন কাপেং ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক পল্লব চাকমা বলেন, ‘নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধে শুধু নারী নয়, পুরুষদেরও এগিয়ে আসতে হবে, তাদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। আমাদের নারীরা, আমাদের মায়েরা যে সংগ্রাম করেন, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আমরা যদি আমাদের সমাজব্যবস্থাকে জেনে নিজেকে বদলাতে পারি, আলো জ্বেলে জীবনকে সুন্দর করতে পারি, তাহলে সমাজ অবশ্যই পরিবর্তন হতে বাধ্য।’

সেমিনারে লিখিত প্রবন্ধ পাঠ করেন বাংলাদেশ আদিবাসী নারী নেটওয়ার্কের সমন্বয়কারী ফাল্গুনী ত্রিপুরা। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আদিবাসী নারী নেটওয়ার্কের সদস্য সুজয়াঘাগ্রা।