ঢাকা উত্তর সিটির কর্মকর্তারা জানান, আবাসিক ওই এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ভবনের সামনে রাস্তা ও ফুটপাতে ইট রেখে বন্ধ করে রাখা হয়েছিল। পরে ওই ইট ১৩ হাজার টাকা, ভ্যাট ও আয়করসহ ১৪ হাজার ৬২৫ টাকায় বিক্রি করা হয়। পাশের আরেকটি নির্মাণাধীন ভবনের সামনের রাস্তা ও ফুটপাতের জায়গা দখল করে বালু, ইটের খোয়া ও রড রাখা হয়েছিল। সেগুলো তাৎক্ষণিকভাবে নিলামে তোলা হয়। নিলামে ভ্যাট ও আয়করসহ সেগুলো ১২ লাখ ৫৬ হাজার ৮৭৫ টাকায় বিক্রি হয়।

এ ছাড়া চন্দ্রিমা হাউজিং আবাসন প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন জায়গায় অবৈধভাবে ৫টি লোহার ফটক তৈরি করে রেখেছিল। সেগুলো ভেঙে ফেলা হয়। পরে ওই ফটকগুলো নিলামে ৪৬ হাজার ১২৫ টাকায় বিক্রি করা হয়।

মোতাকাব্বীর আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, জনসাধারণের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করায় নির্মাণসামগ্রী জব্দ করা হয়। পরে সেগুলো জনসমক্ষে উন্মুক্ত স্থানে প্রকাশ্যে নিলামে বিক্রি করা হয়। তিনি আরও বলেন, আবাসন প্রতিষ্ঠানের ৫টি অবৈধ ফটক ভাঙা হয়েছে। বাকি যে কয়টি ফটক রয়েছে, তা প্রতিষ্ঠানকে আগামী সাত দিনের মধ্যে অপসারণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

অন্যদিকে ঢাকা উত্তর সিটির ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের ১০০ ফুট সড়ক এলাকায় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াউল বাসেত অন্য আরেকটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। ওই অভিযানে প্রায় ৪০টি অবৈধ দোকান, সাইনবোর্ড ও রাস্তার ওপর নির্মিত স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।