কাজী শাহ মুযাক্কের আহমাদুল হক বলেন, দুই ঘণ্টার এই ফ্লাইটে কেউ খাবার খেতে না চাইলে খাবারের খরচ বাঁচানো যাবে। কম ওজনের লাগেজের জন্য কম টাকা দিতে হবে। আবার কেউ ফ্লাইটে ‘এক্সট্রা লেগরুম’ চাইলে সেটিও নিতে পারবেন।

সংবাদ সম্মেলনে টাস এভিয়েশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোরশেদুল আলম চাকলাদার বলেন, আপাতত সপ্তাহে চার দিন ঢাকা-ব্যাংকক রুটে ফ্লাইট চালানো হবে। শিগগিরই এটি প্রতিদিন করার পরিকল্পনা আছে। তিনি বলেন, এই রুটে চলাচলকারী ব্যক্তিদের প্রায় ৮৮ ভাগই ‘ট্যুরিস্ট’, কিছু আছেন ‘মেডিকেল ট্যুরিস্ট’—মূলত তাঁদের কথা বিবেচনায় নিয়েই ফ্লাইটটি চালু করা হয়েছে। ভবিষ্যতে চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দর ও সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকেও ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা আছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন থাই এয়ার এশিয়ার আঞ্চলিক বাণিজ্যিক প্রধান তানসিতা আক্রারিত্তিপিরম ও দক্ষিণ এশিয়ার বাণিজ্যিক প্রধান মনোজ ধারমানি। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, শুক্র, রোব, মঙ্গল ও বুধবার—সপ্তাহের এই চার দিন দিবাগত রাত ১২টা ৫৫ মিনিটে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইট ছাড়া হবে।

প্রায় দুই ঘণ্টা পর এটি ব্যাংককের ডন মুয়াং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবে। সেখান থেকে এক্সপ্রেসওয়ের মাধ্যমে মূল ব্যাংকক শহরে যেতে আনুমানিক ৪০ মিনিটের মতো সময় লাগবে।

থাই এয়ার এশিয়া কর্তৃপক্ষ বলছে, যাত্রীরা যাতে সবচেয়ে কম খরচে যাতায়াত করতে পারেন সে জন্য ডন মুয়াং বিমানবন্দরকে বেছে নিয়েছেন তারা।