গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন পলাশ শেখ (৩৪), সোহেল আহমেদ পল্লব (৪৮), মাসুদ রানা (৪৬) ও রবিন হালদার পরেশ (৫০)। এর আগে একই ঘটনায় রূপনগর থানার এএসআই জাহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে দারুস সালাম থানা–পুলিশ। গত মঙ্গলবার তাঁকে চার দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। গতকাল গ্রেপ্তার পলাশ শেখ এএসআই জাহিদুলের সোর্স হিসেবে কাজ করেন বলে জানা গেছে। তাঁর বাসা রাজধানীর মিরপুরে।

সংবাদ সম্মেলনে ডিবির প্রধান ও অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, ছিনতাইয়ের শিকার টিটু প্রধানিয়া তাঁতীবাজার এলাকার ধানসিঁড়ি চেইন অ্যান্ড বল হাউস নামের একটি জুয়েলারি দোকানের কর্মচারী। ওই দোকানে তৈরি করা গয়না তিনি দেশের বিভিন্ন জুয়েলারি দোকানে সরবরাহ করেন। গত রোববার সকালে টিটু একটি স্কুলব্যাগে করে স্বর্ণালংকার নিয়ে টাঙ্গাইলের মির্জপুর ও সখীপুরের কয়েকটি দোকানে সরবরাহ করতে যাচ্ছিলেন। গাবতলী বাস টার্মিনালে বাসের জন্য অপেক্ষা করার সময় অপরিচিত এক ব্যক্তি নিজেকে ডিবি পরিচয় দিয়ে টিটুর নাম–ঠিকানা ও ব্যাগে কী আছে জানতে চায়। তখন আরও চার-পাঁচজন এসে তাঁর সঙ্গে যোগ দেন। তাঁরা টিটুর কাছে থাকা সোনাসহ ব্যাগটি ছিনিয়ে নেন।

হারুন অর রশীদ বলেন, ছিনতাই হওয়া ওই ব্যাগে ৩৮ ভরি ১৪ আনা স্বর্ণালংকার ছিল। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী দারুস সালাম থানায় মামলা করেন। থানা–পুলিশের পাশাপাশি ডিবির মিরপুর জোনাল টিম এ ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে। ডিবিপ্রধান আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় এএসআই জাহিদুলকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। অপরাধী যেই হোক, অপরাধী তো অপরাধীই। কোনো ব্যক্তির দায় বাহিনী নেবে না।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন