রাজউকের সমালোচনা করে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) নির্বাহী প্রধান আইনজীবী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) যুগ্ম সম্পাদক ইকবাল হাবিব।

রিজওয়ানা হাসান বলেন, যে রাজউক আছে, তা দিয়ে ঢাকা শহরকে বাসযোগ্য করার কথা ভাবতে পারবেন না। ঢাকাকে বাসযোগ্য করতে তিনি রাজউকের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও মানুষের মধ্যে রাজউক নিয়ে আস্থার জায়গা তৈরির প্রতি জোর দেন।

ইকবাল হাবিব বলেন, ঢাকার ভবনগুলোর মধ্যে ৯৫ শতাংশই অবৈধ। মাত্র ৫ শতাংশ ভবন বৈধ হলে রাজউকের প্রয়োজন কী?

রাজউকের চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান মিঞা বলেন, ‘ঢাকায় যত মানুষই আসুক, আমরা তাঁদের পরিকল্পিত শহর দেব—এটি ভাবা অকল্পনীয়।’ ঢাকার অবৈধ ভবন নির্মাণের পেছনে প্রকৌশলীদেরও দায় আছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। কারণ, আইন অনুযায়ী ভবন নির্মাণকালে সেটি ঠিকভাবে হচ্ছে কি না, সেটি তদারকির দায়িত্ব প্রকৌশলীদেরও।

গোলটেবিল বৈঠকে ড্যাপ নিয়ে আলোচনার ক্ষেত্রে বক্তারা এলাকাভিত্তিক ‘ফ্লোর এরিয়া রেশিও বা এফএআর’-এর বিষয়টি বেশি তোলেন। এই ব্যবস্থায় রাস্তার প্রশস্ততা ও নাগরিক সুবিধার ভিত্তিতে ভবনের সর্বোচ্চ উচ্চতার অনুমোদন দেওয়া হয়।

বিএফইউজে-বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব ও নাগরিক টিভির হেড অব নিউজ দীপ আজাদের সঞ্চালনায় বৈঠকে রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী নূরুল হুদা বক্তব্য দেন।