এ কে এম হাফিজ আক্তার বলেন, ঢাকা শহরে সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্রের ১০ থেকে ১২টি দল আছে। চক্রের তিন থেকে চারজন সদস্য ভাগ হয়ে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাড়া করেন। অটোরিকশা চলার সময় চক্রের সদস্যরা চালকের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলেন। পরে নির্জন স্থানে নিয়ে কৌশলে জুস বা কোমল পানীয়র সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে খাইয়ে চালককে অচেতন করেন।এরপর অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে যান। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ছিনতাইকারীরা এ কথা জানিয়েছেন।

হাফিজ আক্তার আরও বলেন, ২ নভেম্বর রাতে মোহাম্মদপুরেরর পিসি কালচার এলাকায় ফুটপাতের ওপর অচেতন অবস্থায় মোক্তার হোসেন (৬০) নামের এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়। শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। পরে জানা যায়, তিনি একজন সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক ছিলেন।

মোক্তার হোসেন হত্যার ঘটনা তদন্তকালে ঘটনাস্থল ও এর আশপাশের ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরার (সিসিটিভি) ফুটেজ পর্যালোচনা করে মানিক সরদারকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁর কাছ থেকে ওই অটোরিকশা ও চালকের মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়।