কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে চীনের নাগরিক সহযোগীসহ গ্রেপ্তার

ধর্ষণ
প্রতীকী ছবি

চীনে নিয়ে যাওয়া ও বিয়ের কথা বলে কলেজের এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ঢাকার উত্তরা থেকে চীনের নাগরিককে সহযোগীসহ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত রোববার রাতে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া ওই চীনের নাগরিক হলেন জি সেন (৫৮)। তাঁর সহযোগী হীরা চাকমাকেও (২৫) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশ বলছে, কলেজছাত্রীর অভিযোগ, তাঁরা চীনে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে আটকে রেখে তাকে ধর্ষণ করেছেন। এমন অভিযোগ পাওয়ার পর চীনের নাগরিক জি সেনকে সহযোগীসহ উত্তরার ১৬ নম্বর সেক্টর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গতকাল সোমবার তাঁদের আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওই ছাত্রীর শারীরিক পরীক্ষা করা হয়েছে। এখন ছাত্রীটি পরিবারের হেফাজতে আছে।

উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ আলম প্রথম আলোকে বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা মিলেছে। গ্রেপ্তারের পর দুজন এখন কারাগারে।

উত্তরা পশ্চিম থানা-পুলিশ জানায়, ওই ছাত্রী সরকারি একটি কলেজের উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম বর্ষে পড়ে। পাশাপাশি সে বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে খণ্ডকালীন কাজ করে। চীনের নাগরিক জে সেনের সহযোগী হীরা চাকমার সঙ্গে ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় হয় কলেজছাত্রীর। তাকে চীনে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেছিলেন হীরা চাকমা। ফাঁদে ফেলে গত শুক্রবার রাতে চীনের নাগরিক জে সেনের উত্তরার ১৪ নম্বর সেক্টরের বাসায় নিয়ে যান হীরা চাকমা। ওই দিন কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ করেন জে সেন। ওই ছাত্রী বাসা থেকে চলে যেতে চাইলে জে সেনের সঙ্গে বিয়ের কথা বলা হয়। পরদিন একই কথা বলে আবারও ধর্ষণ করা হয় তাকে।

পুলিশের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, কলেজছাত্রীকে রোববার একটি কফি শপে নিয়ে যান জে সেন ও হীরা চাকমা। সেখানে অন্য এক নারীকে বিষয়টি জানিয়ে সহযোগিতা চায় ছাত্রীটি। ঘটনাটি পুলিশকে জানানো হলে ছাত্রীটিকে উদ্ধার করা হয় এবং দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।