জুলাই হত্যাকাণ্ডের মামলায় আসামিকে জামিন দেওয়ার প্রতিবাদে ট্রাইব্যুনাল ঘেরাও

হাইকোর্টের প্রধান ফটকের সামনে ‘ট্রাইব্যুনাল ঘেরাও কর্মসূচি’ পালন করছে বিপ্লবী ছাত্র-জনতার ব্যানারে একদল জনতাছবি: প্রথম আলো

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামিকে জামিন দেওয়ার প্রতিবাদে ‘ট্রাইব্যুনাল ঘেরাও কর্মসূচি’ পালন করছে বিপ্লবী ছাত্র-জনতার ব্যানারে একদল জনতা।

আজ সোমবার দুপুরে হাইকোর্টের প্রধান ফটকের সামনে তাঁদের এ কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায়।

হাইকোর্টের মূল ফটকের সামনে ব্যানার নিয়ে ১২ থেকে ১৫ জন অবস্থান করছেন। তাঁদের ব্যানারে লেখা—জুলাই হত্যাকাণ্ডে আসামিদের দ্রুত জামিন দেওয়া এবং বিচার নিশ্চিত করতে ব্যর্থতার বিরুদ্ধে ‘ট্রাইব্যুনাল ঘেরাও কর্মসূচি’।

এ সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি রিফাত রশীদকেও দেখা যায়।

সম্প্রতি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি পদ থেকে পদত্যাগ করা এম জে এইচ মনজু বলেন, গতকাল রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে জামিন দেওয়ার সঙ্গে যাঁরা জড়িত, তাঁদের পদত্যাগ চান তাঁরা।

সম্রাট রুবায়েত নামে একজন প্রথম আলোকে বলেন, ট্রাইব্যুনালের আসামিদের যেন জামিন না দেওয়া হয়, সে কারণেই মূলত তাঁদের কর্মসূচি।

গতকাল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের লক্ষ্মীপুরের নেতা হুমায়ুন কবির পাটোয়ারীকে জামিন দেওয়া হয়েছে। তিনি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় লক্ষ্মীপুরের সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলার আসামি।

আরও পড়ুন

জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরপরই ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে তাঁকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

জুলাইয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার যে মানবতাবিরোধী অপরাধ ঘটিয়েছিল, তার বিচারে অন্তর্বর্তী সরকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করে। ২০২৪ সালের অক্টোবরে পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম শুরু হয়। এই ট্রাইব্যুনাল থেকে এরই মধ্যে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের মৃত্যুদণ্ডের রায় এসেছে।