চিঠিতে বলা হয়েছে, রাজউকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একাংশ নিয়ম অনুযায়ী প্লট বরাদ্দ পেয়েছেন, আরেকটি অংশ এখনো কোনো প্লট পাননি। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, সচিব ও রাজউক চেয়ারম্যানের সঙ্গে কয়েক দফা আলোচনা করেছে রাজউক শ্রমিক কর্মচারী লীগ। কিন্তু এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। দ্রুত দাবি বাস্তবায়ন না হলে কলম বিরতি, মানববন্ধন ও গণ-আন্দোলন করা হবে বলে চিঠিতে জানানো হয়েছে।

তিতাসে যাঁরা চাকরি করেন, তাঁরা গ্যাস ফ্রি পান, বিমানের কর্মচারীরা টিকিট ফ্রি পান। রাজউকে যাঁরা চাকরি করছেন, তাঁদেরও প্লট পাওয়া উচিত। কিন্তু আমরা বিনা মূল্যে প্লট চাই না। অন্যদের রাজউক যে দামে প্লট বরাদ্দ দিচ্ছে, সে দামেই আমরা প্লট চাই।
আবুল বাশার, রাজউক শ্রমিক কর্মচারী লীগের সভাপতি

চিঠিতে রাজউক শ্রমিক কর্মচারী লীগের সভাপতি আবুল বাশার ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন চৌধুরীর স্বাক্ষর রয়েছে। সেখানে রাজউকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন দাবি করে পদোন্নতির বিষয়ে বলা হয়েছে, নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করার পরও তাঁদের পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।

প্লট দাবির যৌক্তিকতা সম্পর্কে জানতে চাইলে আবুল বাশার প্রথম আলোকে বলেন, ‘তিতাসে যাঁরা চাকরি করেন, তাঁরা গ্যাস ফ্রি পান, বিমানের কর্মচারীরা টিকিট ফ্রি পান। রাজউকে যাঁরা চাকরি করছেন, তাঁদেরও প্লট পাওয়া উচিত। কিন্তু আমরা বিনা মূল্যে প্লট চাই না। অন্যদের রাজউক যে দামে প্লট বরাদ্দ দিচ্ছে, সে দামেই আমরা প্লট চাই।’
রাজউকে ১৯৭৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী আছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাঁদের মধ্যে প্রায় ১ হাজার ৩০০ জন বিভিন্ন সময় রাজউক থেকে প্লট পেয়েছেন। দল-মতনির্বিশেষে বাকি সবাইকে প্লট দিতে হবে।

এ সম্পর্কে জানতে চাইলে রাজউক চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান মিঞা প্রথম আলোকে বলেন, রাজউকের কর্মচারীদের প্লট দেওয়া নিয়ে এখনো কাজ শুরু হয়নি। তবে পদোন্নতির ব্যাপারে কাজ শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন থেকে রাজউকে পদোন্নতি হয় না। পদোন্নতির ব্যাপারে কাজ করার জন্য একটি কমিটি গঠন করে দেওয়া হয়েছে, কমিটি নিয়মিত কাজ করছে। শিগগিরই যোগ্যদের পদোন্নতি দেওয়া হবে।