বিএফইউজের সভাপতি ওমর ফারুক ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মো. হেদায়েৎ হোসেন মোল্লা এক বিবৃতিতে আজ রোববার এ দাবি জানান। বিবৃতিতে সাংবাদিক হত্যা ও নির্যাতন এবং সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার ঘটনাগুলো নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, ৩ জুলাই রাত নয়টার দিকে পত্রিকা অফিসে কাজ করার সময় কুষ্টিয়া জেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক আমাদের নতুন সময় পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি হাসিবুর রহমানের মুঠোফোনে একটি কল আসে। এরপর তিনি বেরিয়ে যান। পাঁচ দিন নিখোঁজ থাকার পর ৮ জুলাই তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়। বিএফইউজে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিচার করার দাবি জানায়।

সংবাদ প্রচার করার কারণে বরগুনার ইমরান হোসেন (একাত্তর টেলিভিশন ও রাইজিংবিডি ডটকম); চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার মাহবুবুর রহমান (দৈনিক যুগান্তর ও দৈনিক আজাদী), এনায়েত হোসেন (দৈনিক কালের কণ্ঠ ও দৈনিক পূর্বকোণ), মোহাম্মদ ইউসুফ (বাংলা ট্রিবিউন, দৈনিক ইত্তেফাক ও দৈনিক সাঙ্গু), নয়ন কান্তি (দৈনিক ভোরের পাতা), মো. জাভেদ (দৈনিক স্বদেশ প্রতিদিন), সেকান্দর হোসাইন (দৈনিক সমকাল) ও মো. জহিরুল ইসলামের (আমার সংবাদ) বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয় বিবৃতিতে।

কুষ্টিয়ায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় বাংলা টিভির ভেড়ামারা প্রতিনিধি মো. ওমর ফারুককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ও ২১ জুলাই ঢাকা পোস্টের কক্সবাজার প্রতিনিধি সাইদুল ফরহাদকে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অশালীন ভাষায় গালমন্দ করেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন