এ সময় স্থানীয় কিছু সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে লরেন্স সরকার বলেন, ‘আমরা বিজ্ঞাপন দিয়ে নিয়োগ দিয়েছি। কিন্তু যাঁরা সুযোগ পাননি, তাঁরা এসব অভিযোগ করছেন। এ অবস্থায় কিছু সাংবাদিক অর্থের বিনিময়ে নেতিবাচক কথা লিখেছেন স্থানীয় পত্রিকায়। তাঁরা (সাংবাদিকরা) আমাদের সম্পর্কে শুধু লিখছেন, তা নয়, আমাদের কাছে টাকা-পয়সাও দাবি করছেন।’

সংবাদ সম্মেলন থেকে জানানো হয়, চার্চ অব দ্য ন্যাজ্যারিন ও এর অঙ্গসংগঠন দেশে মাদক, শিশু ও নারী নির্যাতন, মানবপাচার, বর্ণ ও জাতিগত বৈষম্য, লিঙ্গবৈষম্য, মৌলবাদ, জঙ্গিবাদ, অর্থ পাচার, দুর্নীতি, সহিংসতা ও যেকোনো অপরাধমূলক কার্যকলাপে শূন্য সহনশীলতার নীতি অনুসরণ করে।

পাশাপাশি এই চার্চ সমাজকল্যাণ, মানব উন্নয়ন এবং ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা বাংলাদেশ ন্যাজ্যারিন মিশন প্রতিষ্ঠা করেছে। এই সংস্থাটি এনজিও বিষয়ক ব্যুরো নিবন্ধিত ও নিয়ন্ত্রিত বলে সংবাদ সম্মেলন উল্লেখ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন চার্চ অব দ্য ন্যাজ্যারিন বাংলাদেশের ডিস্ট্রিক্ট সুপারিনটেনডেন্ট পুরেন রায়, অঞ্জন মোশী বোস, দীপঙ্কর রায়, কেরোবিন মার্ডি, বাংলাদেশ ন্যাজ্যারিন মিশন পরিচালক স্টিভ কস্তা ও বাংলাদেশ ন্যাজ্যারিন মিশনের প্রকল্প ব্যবস্থাপক মুক্তি বৈদ্য।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন