ছাত্ররা বলছেন, ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সহপাঠীর জন্মদিনের কেক কাটতে গেলে এক ছাত্রের সিগারেট খাওয়াকে কেন্দ্র করে ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করে ওই তিন ব্যক্তি। তাঁরা ভুল বুঝিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান তাঁদের।

সেখানে কৌশলে মোট ১ লাখ ৭১ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের চারটি মুঠোফোন নিয়ে পালিয়ে যান। পুলিশের কাছে চার ছাত্রের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগে স্বাক্ষর করেছেন ইবনুল হাসান।

ওই লিখিত অভিযোগে বলা হয়, ‘আমরা চারজনসহ উদয়ন উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১৮ জন ছাত্র মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ৩টা ১০ মিনিটের দিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গিয়ে আমাদের সহপাঠী সাদমানের জন্মদিনের কেক কাটছিলাম। তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও তিতুমীর কলেজের ছাত্র এবং আওয়ামী লীগের দলীয় লোক পরিচয় দেওয়া অজ্ঞাতনামা তিন ব্যক্তি আমাদের কাছে আসেন। আমাদের একজন বন্ধুর সিগারেট খাওয়াকে কেন্দ্র করে তাঁরা তাঁকে মারধর করার ভয় দেখান। তাঁরা আমাদের সঙ্গে থাকা ১১ জনকে উদ্যান থেকে সরিয়ে দেন। তবে আমিসহ অন্য ৭ জনকে বিভিন্ন কথাবার্তা বলে ভুল বুঝিয়ে তাঁরা প্রথমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হল এলাকা ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।’

‘সরল বিশ্বাসে’ চারজন আসামিদের সঙ্গে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়েছিলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন ইবনুল। তিনি আরও বলেন, হাসপাতালে যাওয়ার পর তাঁকে এবং সাদেকুল ইসলাম, তাসাব্বির হাওলাদার ও আরহাম হোসেনকে ভুল বুঝিয়ে তাঁদের কাছ থেকে চারটি মুঠোফোন কৌশলে নিয়ে আসামিরা পালিয়ে যান। তাঁর দাবি অনুযায়ী, মুঠোফোনগুলো হলো সাড়ে ১৬ হাজার টাকা মূল্যের শাওমি পোকো এম২ প্রো, ২৫ হাজার টাকা মূল্যের রিয়েলমি ৮৫জি, ৬২ হাজার টাকা মূল্যের আইফোন১২ ও ৬৮ হাজার টাকা মূল্যের একটি আইফোন১১।

শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূর মোহাম্মদ আজ দুপুরে প্রথম আলোকে বলেন, ‘অভিযোগটি পেয়েছি। সত্যতা পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন