ক্যানসার চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনা, পাঁচ বায়োলজিকস আনবে এসকেএফ
ক্যানসার চিকিৎসায় বিশ্বজুড়ে আধুনিক ওষুধ ও নতুন পদ্ধতির ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে বায়োলজিকস (জীবন্ত কোষ থেকে তৈরি বিশেষ ধরনের ওষুধ) ও ইমিউনোথেরাপি এই চিকিৎসায় এক নতুন দিক উন্মোচন করেছে। দেশের রোগীদের জন্য আধুনিক এই চিকিৎসাসেবা সহজলভ্য করার লক্ষ্যে প্রথম ধাপে পাঁচটি নতুন বায়োলজিকস মলিকিউল বাজারে আনার পরিকল্পনা নিয়েছে এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড।
গতকাল শুক্রবার রাজধানীতে আয়োজিত মেডিক্যাল অনকোলজি সোসাইটি ইন বাংলাদেশ (এমওএসবি) সম্মেলনের শিল্পভিত্তিক স্যাটেলাইট সিম্পোজিয়ামে এ তথ্য জানানো হয়। এ অধিবেশনের বৈজ্ঞানিক অংশীদার হিসেবে ছিল এসকেএফ।
অধিবেশনে ক্যানসার চিকিৎসায় বিশ্বমানের ওষুধ তৈরি ও এর প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালসের সিনিয়র গ্রুপ ম্যানেজার শাহরিয়ার ইসলাম। তিনি বলেন, বাংলাদেশের রোগীদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের বায়োলজিকস সহজলভ্য করতে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রথম ধাপে পাঁচটি নতুন বায়োলজিকস মলিকিউল বাজারে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
শাহরিয়ার ইসলাম আরও বলেন, এসব ওষুধ বিশেষায়িত উৎপাদন সুবিধায় তৈরি হবে। সেখানে অত্যাধুনিক রেস্ট্রিক্টেড অ্যাকসেস ব্যারিয়ার সিস্টেম (আরএবিএস) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। স্পেনের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান টেলস্টারের সহযোগিতায় গড়ে ওঠা বায়োলজিক উৎপাদন ইউনিটে উৎপাদন, গুণমান ও নিরাপত্তার আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সিম্পোজিয়ামে ক্যানসার চিকিৎসার সাম্প্রতিক অগ্রগতি ও নতুন সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন বিশেষজ্ঞরা। সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ নোভেনা স্পেশালিস্ট সেন্টারের জ্যেষ্ঠ পরামর্শক ও মেডিক্যাল অনকোলজিস্ট রিচার্ড কুয়েক ‘রিল্যাপ্সড স্মল সেল লাং ক্যানসার: নিউ স্ট্যান্ডার্ডস আফটার প্ল্যাটিনাম ফেইলিওর’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
পরে অনুষ্ঠিত প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন মেজর জেনারেল অধ্যাপক আজিজুল ইসলাম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অধ্যাপক মো. কুদরত-ই-এলাহী, অধ্যাপক আবুল আহসান দিদার ও অধ্যাপক ফেরদৌস শাহরিয়ার। আলোচকেরা দেশে ক্যানসার চিকিৎসায় বায়োলজিকসের কার্যকারিতা এবং রোগীদের কাছে উন্নত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়ার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।
অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী বিশেষজ্ঞদের ধন্যবাদ জানান এসকেএফের মেডিক্যাল অ্যাফেয়ার্স বিভাগের এজিএম মো. মুরাদ হোসাইন। একই সঙ্গে এমন একটি বৈজ্ঞানিক আয়োজনের অংশীদার করার জন্য তিনি এমওএসবির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।