দক্ষিণ সিটির মেয়র বলেন, ‘আমাদের কাছে যে তথ্য রয়েছে, দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ৫০ হাজারের ঊর্ধ্বে বেওয়ারিশ কুকুর রয়েছে। সুতরাং বেওয়ারিশ কুকুরের বংশবিস্তার নিয়ন্ত্রণে আমাদের একটি স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন। সে জন্য সারা বিশ্বের ন্যায় বেওয়ারিশ কুকুরের বংশবিস্তার নিয়ন্ত্রণে বন্ধ্যত্বকরণ কার্যক্রম শুরু করছি।’

বেওয়ারিশ কুকুরের বংশবিস্তার নিয়ন্ত্রণে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো এ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে জানিয়ে শেখ তাপস বলেন, বড় বড় শহর বা উন্নত শহরগুলোতে বেওয়ারিশ কুকুর বা অন্যান্য প্রাণী যত্রতত্র চলাচল করতে পারে না। সেগুলো নিয়ন্ত্রণে থাকে। নাগরিকেরা সেগুলোর পরিচর্যা করেন, নিয়ন্ত্রণে রাখেন এবং সেভাবেই একটি সুন্দর শহর গড়ে ওঠে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এ ব্যাপারে নজর না দেওয়ার কারণে ঢাকা শহরে বেওয়ারিশ কুকুরের সংখ্যা দিনে দিনে বেড়েছে।

বন্ধ্যত্বকরণ কার্যক্রম শুরুর মাধ্যমে কিছুদিন পরেই ঢাকাবাসী উপকার পাওয়া শুরু করবে এবং এই বেওয়ারিশ কুকুরের বিস্তৃতি রোধ হবে বলেও মনে করেন মেয়র শেখ তাপস। তিনি বলেন, ‘ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে দীর্ঘদিন ধরে কোনো পশুচিকিৎসক ছিল না। প্রায় ২০ বছর পর আমরা ৫ জন পশুচিকিৎসক নিয়োগ দিয়েছি। আমরা আমাদের স্বাস্থ্য বিভাগকে সংস্কার করছি।’

উদ্বোধনের দিনে আজ ১০টি কুকুরকে বন্ধ্যত্বকরণ কার্যক্রমের আওতায় আনা হয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকার কুকুরকে এই কার্যক্রমের আওতায় আনা হবে। প্রতিদিন ১০টি করে কুকুর বন্ধ্যত্বকরণ করা হবে।

বন্ধ্যাকৃত কুকুরগুলোকে চিহ্নিত করার সুবিধার্থে সেগুলোর কান ফুটো করে দেওয়া এবং ঘাড়ে নীল (স্থায়ী রং) স্প্রে করে দেওয়া হচ্ছে।

এ কর্মসূচিতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, সচিব আকরামুজ্জামান, পরিবহন মহাব্যবস্থাপক মো. হায়দর আলী, ভারপ্রাপ্ত প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ফজলে শামসুল কবির, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন ও ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সারোয়ার হোসেন প্রমুখ।