ট্রাস্টের বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়েছিল ২০০১ সালে। দুই দফায় ট্রাস্টে ২০ কোটি টাকাও দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু এত দিন ট্রাস্টকে সাংগঠনিক কাঠামো দেওয়া যায়নি। এখন থেকে একটি ট্রাস্টি বোর্ডের মাধ্যমে এর কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

বাংলাদেশ শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্ট পরিচালনার জন্য ২০২০ সালের ১৬ মার্চ গঠিত ট্রাস্টি বোর্ডের অন্যতম সদস্য সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক হাসান আরিফের মৃত্যুতে তাঁর জায়গায় সদস্য হিসেবে যুক্ত হবেন জোটের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আবৃত্তিকার আহকাম উল্লাহ।

শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্টে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া ২০ কোটি টাকা তফসিলভুক্ত একটি ব্যাংকে রাখার সিদ্ধান্ত হয়। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছিল, যে ব্যাংক বেশি মুনাফা দেবে, সেই ব্যাংকে এই টাকা রাখা হবে। মুনাফা থেকে শিল্পীদের সাহায্য দেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেন, ‘সব শিল্পীর কল্যাণে কাজ করবে বাংলাদেশ শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্ট। এমনকি কবি-সাহিত্যিকদের পাশেও দাঁড়াবে এটি। শিল্পীদের একটি আশ্রয়ের জায়গা হিসেবে কাজ করবে এটি।

ট্রাস্ট আইনের আওতায় দপ্তরটি চালু করার কারণে এর তহবিল আরও বৃদ্ধি করা যাবে।’
একজন ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুজন সহকারী পরিচালক ও একজন ব্যবস্থাপক এই দপ্তরের মূল দায়িত্ব পালন করবেন। প্রাথমিকভাবে দপ্তরে কাজ করবেন ১৮ জন কর্মী।

দপ্তরটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করবেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব অসীম কুমার দে।

বাংলাদেশ শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্ট আইন ২০০১–এর ৬(১) ধারা অনুসারে, গত ২৩ নভেম্বর ২০১১ বাংলাদেশ শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্টের ১৭ সদস্যের প্রথম ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করা হয়।

সর্বশেষ গত ১৬ মার্চ ২০২০ ট্রাস্টি বোর্ড পুনর্গঠন করা হয়। বাংলা একাডেমিতে চালু হলেও এটি শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্টের অস্থায়ী দপ্তর। পরে এই দপ্তর স্থানান্তর করে কপিরাইট দপ্তরে নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার দপ্তরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতিসচিব মো. আবুল মনসুর, বাংলাদেশ শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অসীম কুমার দে, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার প্রমুখ।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন