স্থানীয় বাসিন্দারা গৃহকর্মী মোর্শেদার মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড দাবি করে এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে সন্ধ্যায় ইন্দিরা রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন।

পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার এইচ এম আজিমুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে রাতে প্রথম আলোকে বলেন, সকাল আটটার দিকে আশপাশের লোকজন ১০ তলা থেকে গৃহকর্মী মোর্শেদাকে পড়ে যেতে দেখেন। সে নিচে না পড়ে দোতলার সানশেডে আটকে ছিল। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে দোতলার সানশেড থেকে নামিয়ে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। কেউ বলেছেন, মোর্শেদা লাফিয়ে পড়ে মারা গেছে। এলাকার লোকজন এই মৃত্যু নিয়ে সন্দেহ করছেন। তবে গৃহকর্তা মফিজুর রহমান দাবি করেন, সকালে তাঁরা মোর্শেদাক খুঁজে পাচ্ছিলেন না। পরে জানতে পারেন সে দোতলার সানশেডে আটকে আছে।

পুলিশ কর্মকর্তা আজিমুল হক বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। এটা যদি হত্যাকাণ্ড হয়, তবে এর সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। আর যদি আত্মহত্যা হয়, কী কারণে এই আত্মহত্যা, তা-ও বেরিয়ে আসবে।  

শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নিশাত জাহান ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। তিনি সুরতহাল প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন, মোর্শেদা ভবন থেকে পড়ে মারা গেছে। মোর্শেদার বাড়ি ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায়। তার বাবা আবদুল লতিফ।

সন্ধ্যায় সড়ক অবরোধে অংশ নেওয়া সুফিয়া বেগম প্রথম আলাকে বলেন, মোর্শেদাকে হত্যা করে তার গৃহকর্তা ও পরিবারের সদস্যরা ১০ তলা থেকে ফেলে দিলে সে দোতলার সানশেডে পড়ে।