‘নতুন কিছু নিয়ে’ পাহাড়ি রেস্তোরাঁ হেবাং এখন শেওড়াপাড়ায়

রাজধানীর শেওড়াপাড়ায় পাহাড়ি খাবারের রেস্তোরাঁ হেবাং এর নতুন শাখা
ছবি: হেবাংয়ের সৌজন্যে

পাহাড়ের নানা ধরনের খাদ্য তো রয়েছেই। খাবারের পাশাপাশি হেবাং নতুন অনেক কিছু নিয়ে এসেছে তাদের শেওড়াপাড়ার নতুন শাখায়। খাবারের পাশাপাশি পাহাড়ি জুমের চাল, চালের গুঁড়া, হলুদের গুঁড়াসহ নানা খাদ্যপণ্য আর ঘর সাজানোর নানা পণ্যও আছে এখানে।

রাজধানী ঢাকায় পাহাড়ি খাবারের স্বাদ দিতে হেবাং রেস্তোরাঁ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বেশ আগেই। দুটো শাখা ছিল মিরপুরের কাজীপাড়া আর মোহাম্মদপুরের রিং রোডে। মোহাম্মদপুরের সূচনা কমিউনিটি সেন্টারের সেই শাখা রয়েছে এখনো। তবে কাজীপাড়ার হেবাং এসেছে শেওড়াপাড়ায়।

শেওড়াপাড়ায় হেবাং রেস্তোরাঁর ভেতরে
ছবি: হেবাং এর সৌজন্যে

নতুন এ শাখা খোলা হয়েছে গত বছরের নভেম্বর মাসে। আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হওয়ার কথা ছিল গত ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে। কিন্তু কিছু কারণে তা আর হয়ে ওঠেনি। তাতে অবশ্য এ রেস্তোরাঁ থেমে নেই। বরং খাবারের পাশাপাশি নতুন ‘অনেক কিছু’ নিয়ে এখন সচল শেওড়াপাড়ার হেবাং। নতুন অনেক কিছু বলতে আসলে কী আছে—প্রশ্নের জবাবে তিন বোনের মালিকানাধীন এই রেস্তোরাঁর একজন বিপলী চাকমা বললেন, ‘আগে শুধু খাবার ছিল। পাহাড়ের সেসব খাবার তো আছেই। এর পাশাপাশি এখন পাহাড়ের বিন্নি চাল, আটা, চালের গুঁড়া, হলুদের গুঁড়া, নারকেল তেলসহ নানা খাদ্য উপাদান পাওয়া যাচ্ছে।’

হেবাং এ এলে পাওয়া যাবে এমন নানা পাহাড়ি খাবার
ছবি: হেবাং এর সৌজন্যে

আরও আছে। পাহাড়ের ঐতিহ্য ফুটে ওঠে এমন বুক মার্ক, পোশাক, ফ্রিজ ম্যাগনেট ইত্যাদি ঘর সাজানোর এমন নানা উপাদানও আছে। খেতে গিয়ে এসব জিনিসপত্র কিনতে পারবেন যে কেউ। বিপলী জানান, পাহাড়ি গয়নাসহ নান তৈজসও পাওয়া যাবে শিগগিরই।

শেওড়াপাড়ায় মেট্রোরেলের স্টেশন থেকে খানিকটা দূরে ৩১৮ নম্বর পিলারের কাছের দোতলায় নতুন হেবাং এর ঠিকানা।

ঘর সাজানোর এমন নানা পণ্য এখন পাওয়া যাচ্ছে হেবাং এ। ছবি: হেবাংয়ের সৌজন্যে
ছবি: হেবাংয়ের সৌজন্যে

প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকছে হেবাং। যদি এ রেস্তোরাঁয় কেউ বিয়ে, জন্মদিন বা যেকোনো অনুষ্ঠান করতে চান, তারও ব্যবস্থা আছে।

এখন শীতের সময়। হেবাংয়ে তাই এখন শীতের পাহাড়ি পিঠা, গরম মুন্ডি, চিকেন ও ফিস লাকসু ইত্যাদি নানা খাবারের আয়োজন আছে।