সালমার ছোট ভাই নাঈম ইসলাম ও চাচাতো ভাই মো. হাসান বলেন, ঈদের ছুটি শেষে গ্রামের বাড়ি ভোলা থেকে লঞ্চযোগে সবাই একসঙ্গে সদরঘাটে আসেন। সেখান থেকে রিকশায় চাচাতো ভাই হাসানের সঙ্গে উম্মে সালমা আজিমপুরে ছাত্রীনিবাসে যাচ্ছিলেন। ইসলামবাগ এলাকায় তাঁদের রিকশার চাকা গর্তে পড়ে যায়। এ সময় সামনে থেকে আসা দ্রুতগতির একটি রিকশার সঙ্গে তাঁদের রিকশার সংঘর্ষ হয়। এতে রিকশা উল্টে পড়ে গুরুতর আহত হন উম্মে সালমা। তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের নিয়ে গেলে চিকিৎসক ভোর পাঁচটায় মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় হাসান সামান্য আহত হয়েছেন।

নাঈম ইসলাম বলেন, আরেকটি রিকশায় তিনি ধোলাইপাড়ে মেসে ফিরছিলেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া বলেন, উম্মে সালমার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে রাখা হয়েছে।

উম্মে সালমার বাড়ি ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার আসলামপুর গ্রামে। তাঁর বাবার নাম গোলাম কিবরিয়া। দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি বড় ছিলেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন