অন্যদিকে তাঁদের আয় কমে যাওয়ার সম্ভাবনাও কমেছে ১৯ শতাংশ হারে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুল হাসান বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ নানা সমস্যায় জর্জরিত। নবযাত্রা প্রকল্পের আজকের এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই সমস্যা জর্জরিত উপকূলীয় সমস্যাগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।

তিনি বলেন, নবযাত্রা প্রকল্প বাংলাদেশের অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়ক। আন্তুর্জাতিক স্থানীয় অংশীদারদের সঙ্গে নিয়েই দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় দারিদ্র্য বিমোচনে ও জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় কাজ করে যাবে।

কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইউএসএআইডি বাংলাদেশের কান্ট্রি লিড এলেন ডি. গুজম্যান  বলেন, ইউএসএআইডি বাংলাদেশে হতদরিদ্র মানুষের জেন্ডার-অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমতাভিত্তিক খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতের মাধ্যমে অর্থনৈতিক ও জীবিকার উন্নয়নে বিনিয়োগ করছে। হতদরিদ্র মানুষকে অন্তর্ভুক্ত ও অংশগ্রহণমূলক বাজারব্যবস্থা এবং বেসরকারি নানা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযুক্ত করে দিতে পারলে তাদের উন্নয়ন টেকসই হবে। সরকারি ও বেসরকারি বহুমুখী কার্যক্রমের মাধ্যমে অতিদরিদ্র মানুষের উন্নয়ন সম্ভব।

ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের ন্যাশনাল ডিরেক্টর সুরেশ বার্টলেট বলেন, নবযাত্রা প্রকল্পের আওতাধীন ভিএসএলএয়ের অনেক নারী সদস্য আছেন, যাঁরা কখনো বাড়ির বাইরে যাননি বা অনেকের খুব অল্প বয়সে বিয়ে হয়েছে। তাঁরা আজ পরিবারের জন্য সঞ্চয় করছে। তাঁরা তাঁদের সন্তানদের লেখাপড়া করাচ্ছেন। এটিই পরিবর্তন। ওয়ার্ল্ড ভিশন এই পরিবর্তনই দেখতে চায়।

অনুষ্ঠানে ক্রোনিক অ্যাডভাইসরি নেটওয়ার্কের সহকারী পরিচালক বিদ্যা দিবাকর এবং নবযাত্রা প্রকল্পের যোগাযোগ বিভাগের ম্যানেজার মেহজাবিন রুপা গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করেন।

শিখন কর্মশালার আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের পলিসি সাপোর্ট উইংয়ের পরিচালক ইমাম আবু সাঈদ, ব্র্যাক ব্যাংকের এসএমই শাখার  প্রধান পরিচালক, সৈয়দ আবদুল মোমেন, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ও উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের রিসার্চ ফেলো রোহিনি কামাল প্রমুখ।