জকসু নির্বাচন ৬ জানুয়ারি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ছবি: প্রথম আলো

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন-২০২৫ অনুষ্ঠিত হবে ৬ জানুয়ারি। আজ বৃহস্পতিবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো. শেখ গিয়াসউদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তি এ বিষয়ে জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৬ জানুয়ারি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ ও হল সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে ৪ থেকে ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কর্মস্থলে উপস্থিত থাকতে বলা হলো। এ ছাড়া এ সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট ও বিভাগগুলোকে শিক্ষাসফরের সময়সূচি না রাখার জন্য অনুরোধ করা হলো। সব ডিন, পরিচালক, চেয়ারম্যান ও দপ্তরপ্রধানদের বিষয়টি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করা হলো।

শিক্ষক সমিতির সংবাদ সম্মেলন

এদিকে জকসু নির্বাচন ও সাম্প্রতিক ইস্যু নিয়ে আজ জরুরি সংবাদ সম্মেলন করে শিক্ষক সমিতি। সেখানে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইমরানুল হক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মোহাম্মদ বিলাল হোসাইন।

লিখিত বক্তব্যে অধ্যাপক ইমরানুল হক বলেন, জকসু নির্বাচনের নীতিমালা অধ্যাপক মো. রইছ উদ্‌দীনের নেতৃত্বেই প্রণীত হয়েছে। মাত্র দেড় মাসের মধ্যে খসড়া নীতিমালা প্রস্তুত করে তা সিন্ডিকেটে উপস্থাপন করা হয়। পরে সিন্ডিকেটের দুটি কমিটি, ইউজিসির কমিটি এবং সর্বশেষ মন্ত্রণালয়ের কমিটিতে তিনি নিষ্ঠা ও পরিশ্রমের সঙ্গে কাজ করে বিষয়টিকে আজকের এ পর্যায়ে নিয়ে এসেছেন। অথচ গত ৩০ ডিসেম্বর জকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হওয়াকে কেন্দ্র করে কিছু শিক্ষার্থী, কিছু মিডিয়া ও ফেসবুক পেজ উদ্দেশ্যমূলকভাবে অধ্যাপক মো. রইছ উদ্‌দীনকে দায়ী করেছে। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক, ন্যক্কারজনক ও অনভিপ্রেত। শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে আমরা এ ধরনের অপপ্রচার ও ঘৃণিত কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

শিক্ষক সমিতির সংবাদ সম্মেলন
ছবি: প্রথম আলো

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক মো. রইছ উদ্‌দীন বলেন, ‘জকসু নির্বাচন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম শিক্ষার্থী সংসদ নির্বাচন। এখানে যে–ই নির্বাচিত হয়ে আসুন, তিনিই হবেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ইতিহাসের অংশ। তিনি আমাদেরই প্রতিনিধিত্ব করবেন।’

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, গত ৩০ ডিসেম্বর জকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোট হওয়ার কথা ছিল। সেদিন সকালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যু হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সকাল সাড়ে আটটায় বিশ্ববিদ্যালয় জরুরি সিন্ডিকেটে সভা করে জকসু নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করে। এরপর বিক্ষোভ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।