সংস্কৃতি ও সৃজনশীল শিল্প নিয়ে আইইউবিতে ২ দিনের সম্মেলন

আইইউবি আয়োজিত সম্মেলনে শিক্ষক ও গবেষকেরাছবি: বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সৌজন্যে

সংস্কৃতি ও সৃজনশীল শিল্প নিয়ে ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশে (আইইউবি) অনুষ্ঠিত হলো দুই দিনের সম্মেলন। আইইউবির মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগ আয়োজিত ‘দ্য নেশন অ্যান্ড ইটস ইমাজিনেশনস: কালচার অ্যান্ড ক্রিয়েটিভ ইন্ডাস্ট্রিজ ইন বাংলাদেশ’ শেষ হলো গত শুক্রবার।

সম্মেলনে দেশ-বিদেশের শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীরা অংশ নেন। গণমাধ্যম, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল শিল্প কীভাবে সমকালীন জাতীয় পরিচয়, চিন্তা ও অর্থনীতিকে প্রভাবিত করছে, তা নিয়ে দুই দিনজুড়ে আলোচনা হয়।

৯ এপ্রিল উদ্বোধনী অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন আইইউবির উপাচার্য ম তামিম, সহ-উপাচার্য ড্যানিয়েল ডব্লিউ লুন্ড এবং স্কুল অব লিবারেল আর্টস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেসের ডিন বখতিয়ার আহমেদ। প্রথম দিনের কিনোট বক্তব্য উপস্থাপন করেন অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব অ্যাডিলেডের কলেজ অব ক্রিয়েটিভ আর্টস, ডিজাইন অ্যান্ড হিউম্যানিটিজের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর ক্রেইগ ব্যাটি। তিনি সৃজনশীল চর্চা ও গবেষণায় নতুন ভাবনার গুরুত্ব তুলে ধরেন। দ্বিতীয় দিনের শুরুতে কিনোট বক্তব্য উপস্থাপন করেন অধ্যাপক লুন্ড। তিনি গণমাধ্যম, দর্শক অনুভূতি ও কগনিটিভ ডিসোন্যান্স নিয়ে আলোচনা করেন।

দুই দিনে চারটি সমান্তরাল সেশনে মোট ৩৬টি গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। এসব প্রবন্ধে ডিজিটাল অর্থনীতি, প্ল্যাটফর্ম শ্রম, গণমাধ্যমের বিশ্বায়ন, সংস্কৃতি উৎপাদন, জেন্ডার ও উপস্থাপন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তরুণদের পরিচয়, লোকসংস্কৃতি, চলচ্চিত্র ও ভিজ্যুয়াল মিডিয়া, নগর উপসংস্কৃতি ও রাজনৈতিক প্রতীক, ইত্যাদি এ ধরনের নানা বিষয় উঠে আসে। সম্মেলনে তিনটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রযুক্তির প্রভাব, সৃজনশীল খাতের পরিবর্তনশীল বাস্তবতা এবং দেশের চলচ্চিত্রশিল্পের ভবিষ্যৎ ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে মতবিনিময় হয়।

এ আয়োজন গণমাধ্যম, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল শিল্প নিয়ে সমকালীন আলোচনা এগিয়ে নিতে এবং গবেষণা ও পেশাজগতের মধ্যে সংযোগ বাড়াতে সহায়ক হবে।