ওই শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে নিয়ে আসা পথচারী নুর হোসেন জানান, রাতে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের সামনে দিয়ে মোটরসাইকেল চালিয়ে যাচ্ছিল ওই শিক্ষার্থী। এ সময় পুলিশের রেকার গাড়ির চাপায় গুরুতর আহত হয় সে। তখন দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতালে তাসিনের মা কাকলী আক্তার বলেন, তাঁদের গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ জেলার লৌহজং থানার মনদগাঁও গ্রামে। বর্তমানে ওয়ারী স্ট্রিটের বলধা গার্ডেনের সামনের একটি বাসায় ভাড়া থাকেন তাঁরা। তাসিন ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজের কেরানীগঞ্জ শাখায় দশম শ্রেণিতে পড়ত। দুই ভাই এক বোনের মধ্যে তাসিন ছিল দ্বিতীয়।

কাকলী আক্তার আরও বলেন, তাসিন বিকেলে বাসা থেকে বের হয়। পরে তার এক বন্ধুর মোটরসাইকেল চালাচ্ছিল সে। রাতে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে এসে তাসিনের মৃতদেহ দেখতে পান তিনি।

পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সালাউদ্দিন মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা শুনেছি, পুলিশের রেকার গাড়ির ধাক্কায় দুর্ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পুলিশের রেকার গাড়ি মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিয়েছে কি না, এটা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।’

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া বলেন, মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন