ঢাকা উত্তর সিটির অঞ্চল-৪–এর ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম মণিপুর এলাকার একটি নির্মাণাধীন ভবনের লিফটের জায়গায় (হোলে) এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অঞ্চল-৩–এর নির্মাণাধীন তিনটি ভবনে ৬০ হাজার টাকা, অঞ্চল-১–এর ১ ও ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে ৩টি মামলায় ৪৫ হাজার টাকা, ১০ নম্বর অঞ্চলের ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডে ৩টি বাড়িতে ৩৩ হাজার টাকা, অঞ্চল–২০–এর পল্লবী এলাকায় ৩টি মামলায় ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযানকালে অঞ্চল-৬–এর আওতাধীন ৫১ নম্বর ওয়ার্ডের একটি নির্মাণাধীন ভবন এবং অঞ্চল-১০–এর আওতাধীন ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডের একটি বাসায় নিয়মিত মামলা দেওয়া হয়েছে। ঢাকা উত্তর সিটির আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা জুলকার নায়ন, জিয়াউর রহমান, আবদুল্লাহ আল বাকী, সাজিয়া আফরীন এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পারসিয়া সুলতানা এসব মামলা পরিচালনা করেন।

১০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর উত্তরায় আজমপুর এলাকায় এডিস ও ডেঙ্গুবিরোধী নাগরিক সচেতনতামূলক প্রচারাভিযানে অংশ নিয়ে ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম ডিএনসিসি এলাকায় ডেঙ্গু জ্বরের বাহক এডিস মশা নির্মূলে সপ্তাহব্যাপী বিশেষ অভিযান চালানোর নির্দেশ দেন।

ঢাকা উত্তর সিটির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জোবায়দুর রহমান এবং উপপ্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোস্তফা সারওয়ার বিভিন্ন ওয়ার্ড এলাকায় ঘুরে জনসাধারণকে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সচেতনতামূলক প্রচারপত্র বিতরণ এবং মাইকিংয়ের মাধ্যমে সচেতনতা কর্মসূচি চালান।