জনস্বাস্থ্য নেতৃত্বে খায়রুল ইসলাম উজ্জ্বল উদাহরণ রেখে গেছেন

জনস্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞ, লেখক ও গবেষক মো. খায়রুল ইসলামের স্মরণে শোকসভায় আলোচকেরা। ব্র্যাক টাওয়ার, মহাখালী, ঢাকা; ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ছবি: প্রথম আলো

জনস্বাস্থ্য, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা, পানি, পয়োনিষ্কাশন ও স্বাস্থ্যবিধি বিষয়ে কাজ করেছেন খায়রুল ইসলাম। স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে কাজ করেছেন আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে। এসব বিষয়ে তিনি বিভিন্ন নিবন্ধ লিখেছেন এবং বই ও প্রকাশনায় অবদান রেখেছেন। জনস্বাস্থ্য ও উন্নয়ন বিষয়ে জনপরিসরের আলোচনা ও জ্ঞানচর্চায় তাঁর অবদান ছিল।

জনস্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞ, লেখক ও গবেষক ড. মো. খায়রুল ইসলামের স্মরণে মঙ্গলবার মহাখালীর ব্র্যাক টাওয়ারে এক শোকসভায় এসব কথা উঠে এসেছে। বাংলাদেশ হেলথ ওয়াচ (বিএইচডব্লিউ) ও ব্র্যাক জেমস পি গ্রান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথ যৌথভাবে এ শোকসভার আয়োজন করে।

খায়রুল ইসলাম গত ২১ আগস্ট মৃত্যুবরণ করেন। শোকসভায় বাংলাদেশ হেলথ ওয়াচের আহ্বায়ক আহমদ মোশতাক রাজা চৌধুরী জানান, সংগঠনের ১০ম দ্বিবার্ষিক প্রতিবেদন উৎসর্গ করা হয়েছে খায়রুল ইসলামকে।

শোকসভায় রাষ্ট্রবিজ্ঞানী রওনক জাহান বলেন, ‘এমন প্রাণবন্ত একজন মানুষ এভাবে চলে গেছেন, এটা বিশ্বাস করতেই কষ্ট হচ্ছিল। দুর্নীতি প্রতিরোধ, সুশাসন ও জনস্বাস্থ্য নিয়ে সব সময় খায়রুল ইসলামের আগ্রহ ছিল। বাংলাদেশ হেলথ ওয়াচের পক্ষ থেকে তাঁর নামে আরও কিছু করতে চেষ্টা করব।’

বিভিন্ন নাগরিক সংগঠনের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন খায়রুল ইসলাম। বাংলাদেশ হেলথ ওয়াচের (বিএইচডব্লিউ) ওয়ার্কিং গ্রুপের সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। এ ছাড়া গ্রিফিথ ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর পপুলেশন অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল হেলথ এবং ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্র্যাক জেমস পি গ্রান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথে অ্যাডজাঙ্কট সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন খায়রুল ইসলাম।

ব্র্যাক জেমস পি গ্রান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথের ডিন অধ্যাপক লরা জিন রাইখেনবাখ বলেন, খায়রুল ইসলাম জনস্বাস্থ্য নেতৃত্বে এক উজ্জ্বল উদাহরণ রেখে গেছেন, যা পরবর্তী প্রজন্মের জনস্বাস্থ্যবিদদের অনুপ্রেরণা জোগাবে।

প্রকাশনা সংস্থা ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহরুখ মহিউদ্দিন বলেন, ‘তাঁর কাছ থেকে আমি অনেক কিছু শিখেছি। তিনি জনস্বাস্থ্যকর্মী হওয়ার পাশাপাশি একজন সৃজনশীল মানুষও ছিলেন।’

শোকসভাটি সঞ্চালনা করেন ইয়াসমিন আহমেদ। এ সময় খায়রুল ইসলামের জীবন, কাজ ও জনস্বাস্থ্য এবং উন্নয়ন খাতে তাঁর অবদান স্মরণ করা হয়।