জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ২৬ কোটি ১৬ লাখ ৩৫ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০১৯ সালের ১৬ নভেম্বর তারেকুজ্জামানের নামে মামলা করে দুদক। রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকার একটি বাসা থেকে ২০১৯ সালের ১৯ অক্টোবর র‌্যাব তাঁকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাঁর বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনে আরও দুটি মামলা হয়। এ ছাড়া চাঁদাবাজি, প্রতারণা, অবৈধ অস্ত্র, মাদক ব্যবসাসহ সংঘবদ্ধ অপরাধের মাধ্যমে ১৮ কোটি ৪০ লাখ ২৭ হাজার ১৯২ টাকা অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ২০২০ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তাঁর বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

আইনজীবী শাহিনুর বলেন, তারেকুজ্জামানের বিরুদ্ধে দুদক, সিআইডি ও র‌্যাব পৃথক চারটি মামলা করে। চারটি মামলায় তদন্ত শেষে তাঁর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। মাদক, অস্ত্র এবং দুদকের মামলায় জামিন পেয়েছেন তারেকুজ্জামান। কেবল সিআইডির করা মামলায় তিনি জামিন পাননি।