ঢাকার পিলখানায় বিজিবি সদর দপ্তরের সম্মেলনকক্ষে শুরু হওয়া এ সম্মেলনে বাংলাদেশের ২০ সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদ। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, যৌথ নদী কমিশন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, সার্ভেয়ার জেনারেল অব বাংলাদেশ এবং ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন।

অপর দিকে বিএসএফ মহাপরিচালক পঙ্কজ কুমার সিংয়ের নেতৃত্বে ৯ সদস্যের ভারতীয় প্রতিনিধিদল সম্মেলনে অংশ নিচ্ছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সম্মেলনে সীমান্ত হত্যা, অবৈধ অনুপ্রবেশ ছাড়াও মাদক, অস্ত্র, গোলাবারুদ, স্বর্ণসহ অন্যান্য চোরাচালান; নারী ও শিশু পাচারসহ বিভিন্ন সীমান্ত অপরাধ; আন্তর্জাতিক সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড, সীমান্ত নদীর তীর সংরক্ষণ, বিভিন্ন সশস্ত্র উগ্রবাদী-সন্ত্রাসী সংগঠন ও গোষ্ঠীর কর্মকাণ্ড সম্পর্কিত তাৎক্ষণিক তথ্য বিনিময়, সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা বাস্তবায়নে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ, দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নের পাশাপাশি বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধির উপায় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। এ ছাড়াও ভারত থেকে বাংলাদেশে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের অনুপ্রবেশ রোধ নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

সম্মেলন উপলক্ষে ভারতীয় প্রতিনিধিদল পদ্মা সেতু ও কক্সবাজারের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন করবে। বৃহস্পতিবার সকালে সম্মেলনের যৌথ আলোচনার দলিল স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে সীমান্ত সম্মেলন শেষ হবে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন