ইকবাল হোসেনের বাড়ি চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে। তিনি হাজিগঞ্জের কাকৈরতলা ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার গণিতের শিক্ষক। স্কুল পরিচালনা পর্ষদের সদস্যপদের নির্বাচনে ২০১৬ সালে প্রার্থী হওয়ায় স্থানীয় ওই ব্যক্তি ও তাঁর সহযোগীরা বিভিন্ন জেলা ও থানায় তাঁর বিরুদ্ধে ২১টি মামলা করে বলে অভিযোগ করেন ইকবাল হোসেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘চাঁদপুর, নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকা জজ কোর্টে মামলাগুলো করা হয়। স্থানীয় ওই ব্যক্তি নিজে ১৩টি, তাঁর ছেলে ৩টি এবং বাকিগুলো ওই ব্যক্তির চক্রের লোকেরা দায়ের করেছে। জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতি করে তিনটি মামলা করা হয়। এ ছাড়া আমাকে চাকরিচ্যুত করার জন্য ১২৫টি অভিযোগ করেছে।’

দেড় বছর ধরে বাড়িতে যেতে পারছেন না বলে দাবি করেন ইকবাল হোসেন। তাঁর স্ত্রী, তিন মেয়ে ও এক ছেলে। তিনি বলেন, ‘ছেলেমেয়েরা বাবাকে পাচ্ছে না। ঠিকমতো চাকরি করতে পারছি না।’

default-image

২১টির মধ্যে ৩টি মামলার আসামি না হয়েও ৩৫ দিন জেল খাটতে হয়েছে বলেও অভিযোগ ইকবাল হোসেনের। তাঁর দাবি, জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতি করে ওই সিন্ডিকেট বিভিন্ন জেলা ও থানায় মামলাগুলো করে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে বাদীর জাতীয় পরিচয়পত্র অস্পষ্ট, আবার কোনোটিকে সংখ্যা কম, আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে মামলায় উল্লেখিত ঠিকানায় বাদীকে পাওয়া যায় না।

এক প্রশ্নের জবাবে ইকবাল হোসেন বলেন, ২১টির মধ্যে ১৬টি মামলা খারিজ হয়ে গেছে। অপর পাঁচটিতে তিনি জামিনে আছেন। অপহরণ, প্রতারণা, টাকা নেওয়া–এমনসব অভিযোগে এসব মামলা করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে একের পর এক বিভিন্ন জেলায় মামলা হয়, ওয়ারেন্ট আসে। আমার বিরুদ্ধে আসলে কতটি মামলা আছে, জানি না।’

ইকবাল হোসেন বলেন, ‘মামলার হয়রানি থেকে নিষ্কৃতি চাই। মামলাবাজ সিন্ডিকেটকে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানাচ্ছি।’

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন