জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ভাইস চ্যান্সেলর রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন ৪ শিক্ষক

গবেষণায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘ভাইস চ্যান্সেলর রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড’ পাওয়া শিক্ষকদের সঙ্গে অতিথিরা। আজ বুধবার শহীদ সাজিদ ভবনের মিলনায়তনেছবি: প্রথম আলো

চার শিক্ষককে ‘ভাইস চ্যান্সেলর রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড’ দিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। গবেষণায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রথমবারের মতো এই অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়েছে। ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের চারটি অনুষদ থেকে মোট চারজন শিক্ষক এ সম্মাননা লাভ করেন।

আজ বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা সেলের আয়োজনে শহীদ সাজিদ ভবনের মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠান হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উপাচার্য অধ্যাপক মো. রইছ উদ্দীন অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষকদের হাতে সনদ, ক্রেস্ট ও সম্মাননা চেক তুলে দেন।

অ্যাওয়ার্ড পাওয়া শিক্ষকেরা হলেন বিজ্ঞান অনুষদ থেকে রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ সৈয়দ আলম, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক শাহ মো. নিসতার জাহান কবীর, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ইমরানুল হক এবং লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্স অনুষদের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক হাছিনা আক্তার।

উপাচার্য অধ্যাপক মো. রইছ উদ্দীন বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ধরনের অ্যাওয়ার্ড প্রবর্তন একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এটি শিক্ষকদের গবেষণায় আরও উৎসাহিত করবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ট্রেজারার অধ্যাপক সাবিনা শরমীন বলেন, এ ধরনের অ্যাওয়ার্ড শিক্ষকদের গবেষণায় আরও উৎসাহিত করবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক পরিবেশকে আরও গতিশীল করবে।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এবং বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালকেরা বক্তব্য দেন। তাঁরা শিক্ষকদের গবেষণায় সম্পৃক্ততা বাড়াতে পর্যাপ্ত সময় ও প্রণোদনা দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁরা উল্লেখ করেন, এ ধরনের উদ্যোগ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে এবং একাডেমিক উৎকর্ষ অর্জনে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

বক্তারা আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম অনেকাংশে শিক্ষকদের গবেষণা ও সাইটেশনের ওপর নির্ভরশীল। তাই ভবিষ্যতে ‘একাডেমিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’, ‘বেস্ট আর্টিকেল অ্যাওয়ার্ড’ এবং শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন পুরস্কার চালুর আহ্বান জানান তাঁরা।

গবেষণা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ইমরানুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে অ্যাওয়ার্ড পাওয়া শিক্ষকেরা তাঁদের অনুভূতি জানান। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এ অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারাবাহিকতা বজায় রাখা হবে।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালকসহ শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।