default-image

পরদিন মঙ্গলবার ইসতিয়াক জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেন। ইসতিয়াকের অভিযোগ, তিনি সোহরাব সার্ভিস স্টেশন থেকে ৫০০ টাকার অকটেনের কেনার ভাউচার পেলেও মাপে ২০০ টাকার তেল কম পান।

সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিংয়ে এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯–এর ৪৫ ও ৪৮ ধারা লঙ্ঘন করেছে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠান সোহরাব সার্ভিস স্টেশন।

প্রতিশ্রুত সেবা বা পণ্য যথাযথভাবে না দেওয়া ৫০ হাজার টাকা এবং পরিমাণে কারচুপি করার দণ্ডে ৫০ হাজার টাকা সোহরাব সার্ভিস স্টেশনকে জরিমানা করা হয়েছে। অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠান ঘটনার দায় স্বীকার করে এক লাখ টাকা জরিমানা প্রদান করেছে। মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আইন অনুযায়ী ২৫ শতাংশ অভিযোগকারী ইসতিয়াকের হাতে (২৫ হাজার টাকা) তুলে দেন।

প্রতিক্রিয়ায় ইসতিয়াক আহমেদ বলেন, তিনি দ্রুত প্রতিকার পেয়েছেন। তাঁর আশা, অন্য ভোক্তারাও একইভাবে দ্রুত বিচার পাবেন। সোহরাব সার্ভিস স্টেশনের ম্যানেজার বেলায়েত হোসেন দাবি করেন, তাঁরা চার মাস ধরে ব্যবসা করছেন। এটা ‘অনাকাঙ্ক্ষিত’ ভুল হয়ে গেছে।

এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে সোহরাব সার্ভিস স্টেশনে অভিযান পরিচালনা করে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। এ সময় পেট্রলপাম্পটির দুটি ইউনিটে প্রতি ১০ লিটার ডিজেলে ৪০ মিলিলিটার করে কম দেওয়ায় দুই লাখ টাকা জরিমানা করেন বিএসটিআইয়ের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন