দক্ষিণ সিটির বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিভাগের ওই কর্মকর্তা বলেন, গোয়েন্দা পুলিশ গাড়ির ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করেছে। ইঞ্জিন আর গাড়ির মূল বডির চার ভাগের এক ভাগ খুঁজে পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিয়ে এখনো কাজ হচ্ছে। গোয়েন্দা পুলিশের পক্ষ থেকে এর বেশি তাদের জানানো হয়নি। এদিকে গাড়ির চালক ও মামলার ১ নম্বর আসামি পলাশ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে আছেন বলেও জানান ওই কর্মকর্তা।

ডাম্প ট্রাকটি চুরির পর মাতুয়াইল কেন্দ্রীয় ময়লার ভাগাড়ে দায়িত্বরত দক্ষিণ সিটির সহকারী প্রকৌশলী নুরুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেছিলেন, ১২ আগস্ট শুক্রবার সকাল সাতটার দিকে গাড়ির চালক গাড়িতে বর্জ্য নিয়ে মাতুয়াইলে আসেন। তিনি গাড়ি থেকে বর্জ্য নামিয়ে বাসায় চলে যান। পরে গাড়িটি মাতুয়াইলে আর দেখা যায়নি। ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা পর্যবেক্ষণ করে তাঁরা দেখেন, গাড়িটি মাতুয়াইল ল্যান্ডফিল থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে। ক্যামেরায় চালকের মুখ বোঝা যায়নি।

দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৭৫টি ওয়ার্ডের বর্জ্য মাতুয়াইলে রাখা হয়। সেখানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক আনসার সদস্য মোতায়েন থাকেন। এ ছাড়া সিসি ক্যামেরা দিয়েও পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। এরপরও কীভাবে সেখান থেকে গাড়িটি চুরি হয়েছে, এ নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন খোদ করপোরেশনেরই কর্মকর্তারা। তাঁরা বলছেন, সিটি করপোরেশনের গাড়ি যেখানে-সেখানে পড়ে থাকলেও কেউ ওই গাড়ির ক্ষতি করে না। অথচ সর্বোচ্চ নিরাপত্তার জায়গা থেকে গাড়ি চুরি হওয়ায় তাঁরা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। আনসার সদস্যদের সামনে দিয়ে অপরিচিত এক লোক গাড়িটি কীভাবে নিয়ে গেল, তা খতিয়ে দেখা উচিত।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন