মামলায় বিল্লাল হোসেন দাবি করেন, ১৩ অক্টোবর তাঁর বিরুদ্ধে পৃথক দুটি ষড়যন্ত্রমূলক মামলা হয়। সে মামলায় লালবাগের স্থানীয় একটি সমিতির অফিস থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আসামিরা (পুলিশ সদস্যরা) আসার সময় অফিসের ড্রয়ারে রাখা সাড়ে চার লাখ টাকা, তিন ভরি স্বর্ণালংকার, সিসি ক্যামেরার ডিজিটাল ভিডিও রেকর্ডারসহ (ডিভিআর) অন্য কাগজপত্র নিয়ে যান। এর প্রতিবাদ করলে আসামিরা তাঁকে মারধর করে থানায় নিয়ে যান। পরে দুই মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। সম্প্রতি জামিনে ছাড়া পেয়ে তিনি মামলা করেন।

এ অভিযোগ সম্পর্কে লালবাগ থানার ওসি এস এম মুর্শেদ বলেন, মূলত মাতাল অবস্থায় পড়ে থাকার তথ্য জানতে পেরে পুলিশ বিল্লালকে উদ্ধার করে। মাতাল অবস্থায় মারধরের অভিযোগে অন্য আরেকজন বিল্লালের বিরুদ্ধে মামলা করেন। আর মদ পানের অভিযোগে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয়। বিল্লালের বিরুদ্ধে অন্যান্য থানায় মামলা রয়েছে বলে জানান লালবাগ থানার ওসি।