বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা সড়কে, দুর্ভোগ

সামান্য বৃষ্টি হলেই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মেঘনা সেতুর টোল প্লাজার দক্ষিণ প্রান্তের একটি লেনে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এতে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের ওই এলাকায় কারখানার মালবাহী যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়। চলাচলে দুর্ভোগে পড়তে হয় হাজারো মানুষকে।
টোল প্লাজার দক্ষিণ প্রান্তের এই লেন দিয়ে মেঘনাঘাট এলাকার বিভিন্ন শিল্প-কারখানার মালবাহী ট্রাক, লরিসহ অন্য যানবাহন চলাচল করে। এ ছাড়া সড়কের এ লেন ব্যবহার করেন স্থানীয় ইসলামপুর, গুচ্ছগ্রামসহ আশপাশের বিভিন্ন স্থানের বাসিন্দা এবং শিল্প-কারখানার হাজারো শ্রমিক। এ লেনের বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া নালা না থাকায় বৃষ্টির পানি সরতে পারে না।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইসলামপুর গ্রামের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, এই এলাকার বাসিন্দা ও বিভিন্ন শিল্প-কারখানার শ্রমিক-কর্মচারীদের দিনরাত এ লেন ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করতে উঁচু করায় এ লেনটি নিচু হয়ে গেছে। এখন সামান্য বৃষ্টি হলে আর রক্ষা নেই। এখানে হাঁটুপানি জমে। ময়লা পানি ভেঙে চলাচল করতে হয়। তখন মানুষের দুর্ভোগের আর সীমা থাকে না।
মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের মহাব্যবস্থাপক কার্তিক চন্দ্র দাস বলেন, ‘বৃষ্টি হলেই সড়কের স্থানটি পানিতে তলিয়ে যায়। ফলে যানবাহন চলাচল করতে সমস্যা হয়। বিষয়টি আমরা লিখিতভাবে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগকে অবহিত করেছি। কিন্তু কোনো কাজ হচ্ছে না।’
সওজের নারায়ণগঞ্জ কার্যালয়ের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী জাকিরুল আলম বলেন, মহাসড়কের এ লেনের মেরামত ও নালা নির্মাণের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে।