বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পিছিয়ে পড়া বা দুর্গম এলাকার মানুষের করোনার টিকা দেওয়ার কর্মসূচির অংশ হিসেবে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে দুবলারচর এলাকায় টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। চলে রাত ১০টা পর্যন্ত। গতকাল প্রায় দুই হাজার মানুষকে টিকা দেওয়া হয়। আজ সকালে আবার টিকাদান শুরু হয়। দুবলারচরে এ দফায় আজই টিকাদান শেষ হবে। আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে বাকি ব্যক্তিদের টিকা দেওয়া হবে।

বাগেরহাটের সিভিল সার্জন জালাল উদ্দিন আহমেদ গতকাল দুবলারচরে টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এ কর্মসূচিতে সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগকে সহযোগিতা করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ও বন বিভাগ।

দুবলারচর এলাকার মাঝিরকেল্লা, নারকেলবাড়িয়া ও আলোরপোল—এই তিন চরের জেলেদের টিকা দেওয়া হচ্ছে। এই চরগুলোয় প্রায় ১০ হাজার জেলে বসবাস করেন। তাঁরা দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এসে এখানে অস্থায়ী বসবাস গড়ে মাছ ধরেন এবং মাছের ব্যবসা করেন।

দুবলারচরের লোকজনকে যুক্তরাষ্ট্রের জনসন অ্যান্ড জনসনের টিকা দেওয়া হচ্ছে। এ টিকার দ্বিতীয় ডোজের প্রয়োজন হয় না।

দুবলারচরে টিকা দিতে কাজ করছেন ১২ জন টিকাদানকারী। দুটি বুথে টিকা দেওয়া হচ্ছে। টিকাদানকারীদের সহযোগিতা করছেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সদস্যরা।

টিকা কর্মসূচি দেখার জন্য আজ ঢাকা থেকে দুবলারচরে আসেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এ টি এম আবদুল ওয়াহ্হাব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক মীরজাদী সেব্রিনা।

করোনাভাইরাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন