বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

‘কোভিড-১৯ মহামারিকালে বাংলাদেশে মৌসুমি ইনফ্লুয়েঞ্জা’ শীর্ষক এ গবেষণা গত আগস্ট মাসে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সাময়িকী প্লস-এ প্রকাশিত হয়। আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণাকেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআরবি) এবং সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (ইউএস-সিডিসি) থাইল্যান্ডভিত্তিক আঞ্চলিক ‘ইনফ্লুয়েঞ্জা’ প্রতিরোধ কর্মসূচির সাতজন বিজ্ঞানী এ গবেষণায় যুক্ত ছিলেন।

গবেষণা দলের প্রধান গবেষক আইসিডিডিআরবির সহযোগী বিজ্ঞানী ডা. ফাহমিদা চৌধুরী প্রথম আলোকে জানান, ২০০৭ সাল থেকে আইসিডিডিআরবি সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) সহায়তায় ইনফ্লুয়েঞ্জা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে আসছে।

২০২০ সালে কোভিড-১৯ মহামারি চলাকালে অনেক প্রতিকূলতার মধ্যেও এই ইনফ্লুয়েঞ্জা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের কাজ চালু ছিল বলে জানান প্রকাশিত গবেষণা নিবন্ধের লেখক আইসিডিডিআরবির উপ–প্রকল্প সমন্বয়কারী ডা. জুবাইর আখতার।

ইনফ্লুয়েঞ্জা হলো শ্বাসতন্ত্রের রোগ (সর্দি-কাশি), যা সহজে ছড়িয়ে পড়ে। এর ফলে নিউমোনিয়ার মতো স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। হৃদ্‌রোগ, হাঁপানি ও ডায়াবেটিসের মতো রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত হলে তাদের ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।

গবেষণায় দেশের সাতটি সরকারি এবং দুটি বেসরকারি হাসপাতালের ইনফ্লুয়েঞ্জা রোগীর তথ্য সংগ্রহ করা হয়। গবেষণাটির ক্ষেত্রে ২০১৬ থেকে ২০১৯ সালের ইনফ্লুয়েঞ্জার তথ্যের সঙ্গে ২০২০ সালের উপাত্তের মিল-অমিল তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়, দেশে মে থেকে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত ইনফ্লুয়েঞ্জার মৌসুম। ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল সময়ে বছরের ১৮তম সপ্তাহ থেকে অর্থাৎ মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের পর থেকে ইনফ্লুয়েঞ্জার প্রকোপ বাড়তে শুরু করে। এই প্রকোপ চলতে থাকে পরবর্তী সাড়ে ১২ সপ্তাহ ধরে। ২০১৬ থেকে ১৯ সাল পর্যন্ত সময়ে বছরে ৩০ সপ্তাহের বেশি সময় ধরে অর্থাৎ সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত এর প্রকোপ চলমান ছিল। কিন্তু ২০২০ সালে ইনফ্লুয়েঞ্জা শুরুই হয় ৩৬তম সপ্তাহে গিয়ে। আর এটি চলে ৪১তম সপ্তাহ পর্যন্ত। অর্থাৎ ২০২০ সালে সেপ্টেম্বর মাসে শুরু হয়ে ইনফ্লুয়েঞ্জার প্রকোপ চলে মাত্র পাঁচ সপ্তাহ ধরে।

সব মিলিয়ে গবেষণায় উঠে আসে, করোনার বছরে ২০২০ সালে ইনফ্লুয়েঞ্জার প্রকোপ শুরু হয় আগের বছরের সাধারণ প্রবণতার ১৮ সপ্তাহ পর থেকে। আগের চেয়ে প্রকোপের সময়ের ব্যাপ্তিও কম ছিল। প্রকোপের মাত্রাও আগের বছরগুলোর মতো তীব্র ছিল না। আরেকটি বিষয় হলো ২০২০ সালে কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণে সরকারি বিধিনিষেধ যে সপ্তাহে উঠে যায়, তখন থেকেই ইনফ্লুয়েঞ্জার প্রকোপ শুরু হয়।

গবেষণা নিবন্ধে জানানো হয়, ৯টি হাসপাতালে ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত সময়ে ইনফ্লুয়েঞ্জার মৌসুমে উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা ছিল বছরে ২ হাজার ৭১৪ থেকে ৫ হাজার ১ জন। তাদের মধ্যে ইনফ্লুয়েঞ্জা শনাক্ত হওয়া রোগী ছিল ১৫ থেকে ২৬ শতাংশ। ২০২০ সালে শুধু ইনফ্লুয়েঞ্জার মৌসুম নয়, পুরো বছরের হিসাবে রোগীর সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৩৬১ জন। ফলে দেখা যাচ্ছে, করোনার বছরে ইনফ্লুয়েঞ্জা নিয়ে ওই সব হাসপাতালে অনেক কম রোগী ভর্তি হয়েছে।

যে নয়টি হাসপাতালের তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করা হয়, তার মধ্যে সরকারি সাতটি—রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, দিনাজপুরের এম আবদুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও যশোরের ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতাল। বেসরকারি দুটি হাসপাতালের উপাত্ত এই গবেষণায় ব্যবহার করা হয়েছে—কিশোরগঞ্জের জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সিলেটের জালালাবাদ রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।

দেশে গত বছর এবং এ বছর কোভিডের ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে ঠিক মৌসুমি ইনফ্লুয়েঞ্জার সময়। তাই এ মহামারির প্রকোপ বাংলাদেশে ইনফ্লুয়েঞ্জার মৌসুমেই ঘটেছে, এমনটা মনে করার যথেষ্ট কারণ আছে।
অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, ভাইরাস বিশেষজ্ঞ

গবেষণাটিতে বলা হয়, ইনফ্লুয়েঞ্জার প্রকোপ কম হওয়ার ক্ষেত্রে কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণে বিধিনিষেধ এবং সামাজিক দূরত্ব বা মাস্ক পরার মতো তৎপরতার ভূমিকা থাকতে পারে। শুধু বাংলাদেশেই নয়, বিশ্বের অনেক অঞ্চলে স্বল্প হারে হলেও ইনফ্লুয়েঞ্জার এ গতি পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

বাংলাদেশে ২০২০ সালে বছরের একাদশ সপ্তাহ বা ৮ মার্চ করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়। এরপর ১৮ মার্চ প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। ২৬ মার্চ থেকে সরকার করোনা নিয়ন্ত্রণে সাধারণ ছুটি ঘোষণা ঘোষণা করে। অফিস-আদালত ও পরিবহন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়। এর আগে ১৭ মার্চ থেকেই সরকারি নির্দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়। দুই মাসের বেশি সময় সাধারণ ছুটি চলার পর সরকার সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, মাস্ক পরাসহ বেশ কিছু শর্তে অফিস-আদালত, কারখানা ও গণপরিবহন চালানোর সুযোগ দেয়।

করোনার ঊর্ধ্বগতি বনাম ইনফ্লুয়েঞ্জা

২০২০ সালের মে মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে দেশে করোনার সংক্রমণ চূড়ার দিকে যেতে শুরু করে। ২৭ মে প্রথমবারের মতো করোনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ওঠে ২০ শতাংশের ওপরে। ওই বছর আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত এ হার ২০ শতাংশের ওপরেই ছিল। এরপর থেকে তা কমতে শুরু করে। গত বছর নভেম্বরে করোনা শনাক্তের হার সামান্য বেড়েছিল। তবে পরে তা আবার কমে যায়। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে শনাক্তের হার কমে পরীক্ষার বিপরীতে প্রায় ৩ শতাংশে নেমে যায়। এরপর মার্চে তা আবার বাড়ে। যদিও এপ্রিলেই কমে যায়। কিন্তু জুন মাসে এসে ব্যাপকভাবে বাড়তে শুরু করে করোনার সংক্রমণ। জুলাই মাসে পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৩০ শতাংশের ওপরে উঠে যায়। এরপর বেশ কিছুদিন শনাক্তের হার ৩০ শতাংশের বেশি ছিল। কিন্তু গত বছরর মতোই আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহে এসে সংক্রমণ কমতে শুরু করে।

অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মনে করেন, দুই বছরের চিত্র দেখে এমন সিদ্ধান্তে আসা সম্ভব যে বাংলাদেশে ইনফ্লুয়েঞ্জার প্রকোপকালেই করোনার দাপট বেড়েছে। তিনি বলেন, ‘এ গবেষণার মাধ্যমে এটি উঠে এসেছে যে করোনাকালে আমরা স্বাস্থ্যবিধি–সম্পর্কিত যেসব ব্যবস্থা নিয়েছি, তার ফলে শ্বাসজনিত অন্য অসুখও কমেছে। এই গবেষণায় শুধু ইনফ্লুয়েঞ্জা পরিস্থিতি দেখা হয়েছে। এর পাশাপাশি এ সময় হওয়া অন্য অসুখ, যেমন রাইনোভাইরাস বা অন্য শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত অসুখের গতিপ্রকৃতি বোঝার চেষ্টা করা যেত।’

ইনফ্লুয়েঞ্জার মৌসুমকালেই কোভিড-১৯–এর প্রকোপ বেড়েছে কি না, এ বিষয়ে সিদ্ধান্তে আসতে গেলে অন্তত এ বছরের শীতকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে বলে মনে করেন আইইডিসিআরের উপদেষ্টা মুশতাক হোসেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, গত বছর একটা আশঙ্কা ছিল যে শীতের মধ্যে করোনা সংক্রমণ বাড়বে। কিন্তু তা হয়নি। দুটি বছরই ইনফ্লুয়েঞ্জার মৌসুমে তা বেড়েছে। কিন্তু সামনের শীতকালে কী হয়, সেটা দেখার বিষয়। কারণ, ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকায় শীত ও গ্রীষ্ম দুই সময়েই কোভিড-১৯–এর তীব্রতা দেখা গেছে। ইউরোপে শীতকাল ইনফ্লুয়েঞ্জার মৌসুম।

মুশতাক হোসেন বলেন, এবারও যদি শীতকালে কোভিড-১৯–এর তীব্রতা না থাকে, তাহলে বাংলাদেশে ইনফ্লুয়েঞ্জার মৌসুমে করোনার প্রকোপ বাড়ে বলে মনে করা যেতে পারে।

অন্য দেশেও কমেছে ইনফ্লুয়েঞ্জা

বাংলাদেশের পাশাপাশি বিশ্বের আরও কয়েকটি দেশে কোভিড-১৯–এর সময় ইনফ্লুয়েঞ্জার কম প্রকোপ এবং সেই সঙ্গে দেরিতে সংক্রমণ শুরুর চিত্র দেখা গেছে। গবেষণায় সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, তাইওয়ান, দক্ষিণ আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার দেশ চিলির চিত্র তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, মনে করা হচ্ছে এসব দেশে করোনাকালে ইনফ্লুয়েঞ্জার প্রকোপ কমে যাওয়ার কারণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে নেওয়া পদক্ষেপ।

এবারও যদি শীতকালে কোভিড-১৯–এর তীব্রতা না থাকে, তাহলে বাংলাদেশে ইনফ্লুয়েঞ্জার মৌসুমে করোনার প্রকোপ বাড়ে বলে মনে করা যেতে পারে।
মুশতাক হোসেন, উপদেষ্টা, আইইডিসিআর

৯ হাসপাতালের বাইরের চিত্র কী

এই গবেষণায় শুধু ৯টি হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিত্র পাওয়া গেছে। কিন্তু যারা হাসপাতালে যায়নি, তাদের কোনো সংখ্যা পাওয়া যায়নি। গবেষণায় সেই সীমাবদ্ধতার কথাও বলা হয়েছে। গবেষকেরা মনে করছেন, কোভিড-১৯–এর কারণে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে অনেকেই হয়তো হাসপাতালমুখী হয়নি। তাই হাসপাতালগুলো যে পূর্ণাঙ্গ চিত্র তুলে ধরে, তা হয়তো নয়। কিন্তু তারপরও শুধু হাসপাতালের চিত্রে একটি প্রবণতা চিহ্নিত করা গেছে।

এ গবেষণায় আরেক সীমাবদ্ধতার কথা বলা হয়েছে। সেটি হলো এখানে শুধু কোভিড-১৯ মহামারিকালের আগের চার বছরের উপাত্ত ব্যবহার করা হয়েছে। এর আরও আগের উপাত্ত পাওয়া গেলে হয়তো ইনফ্লুয়েঞ্জার শুরু ও শেষের নতুন কোনো চিত্র দেখা যেতে পারত।

আইইডিসিআরের পক্ষ থেকে দেশের ইনফ্লুয়েঞ্জা পরিস্থিতি জাতীয়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. এ এস এম আলমগীর প্রথম আলোকে বলেন, বৈশ্বিকভাবেই করোনাকালে ইনফ্লুয়েঞ্জা শনাক্ত কমে গেছে। এর সুনির্দিষ্ট কারণ নির্ণয় এখনো করা হয়নি। তবে বেশ কিছু কারণের উল্লেখ করা যায়। এর মধ্যে একটি হলো করোনার প্রকোপের মধ্যে ইনফ্লুয়েঞ্জা শনাক্তের দিকে দৃষ্টি কম ছিল। দেখা গেছে, যেখানে ইনফ্লুয়েঞ্জার ১০০ নমুনা আসার কথা, সেখানে এসেছে ১০টি। ‘বিধিনিষেধ’ ছিল, তাই নমুনা পরিবহনও ঠিকমতো হয়নি। সবাই করোনা শনাক্তকেই প্রাধান্য দিয়েছে।

ডা. আলমগীর আরও বলেন, ‘করোনাকালে দেখা গেছে, যে দেশে যখন ইনফ্লুয়েঞ্জার মৌসুম, সে দেশে তখন করোনার প্রকোপ বেশি ছিল। বিপরীতে ইনফ্লুয়েঞ্জার প্রকোপ কম ছিল। বাংলাদেশেও আমরা দেখেছি, করোনাকালে তীব্র শ্বাসকষ্টজনিত ইনফ্লুয়েঞ্জা (এসএআরআই) এবং সাধারণ ইনফ্লুয়েঞ্জা-উভয়েরই প্রকোপ কমেছে।’

আইইডিসিআরের জাতীয় পর্যবেক্ষণের চিত্র থেকে দেখা যায়, ২০১৯ সালের জুলাই মাসে ইনফ্লুয়েঞ্জার ৪২৫টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে শনাক্ত হয় ৭৮ জন রোগী। এর পরের বছর অর্থাৎ ২০২০ সালের জুলাই মাসে ১৭৭টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। যদিও আক্রান্ত কাউকে পাওয়া যায়নি। চলতি বছরের জুলাই মাসে ৬৩টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। শনাক্ত হয়েছে পাঁচজন।

ভবিষ্যতের করণীয়

গবেষকেরা বলছেন, করোনাকালে ইনফ্লুয়েঞ্জা কমার চিত্র ভবিষ্যতে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণে সহযোগিতা করতে পারে। বলা হচ্ছে, করোনাকালে নেওয়া ব্যবস্থা, যেমন সামাজিক দূরত্ব, মাস্ক পরা, হাত ধোয়ার অভ্যাস, ইনফ্লুয়েঞ্জার প্রকোপ কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে। আইইডিসিআরের উপদেষ্টা মুশতাক হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ভবিষ্যতে ইনফ্লুয়েঞ্জার মৌসুমে কোভিডকালের গৃহীত সুরক্ষা ব্যবস্থাগুলো প্রয়োগ করা যেতে পারে। বিশেষ করে বয়স্ক, গর্ভবতী নারীদের মতো ইনফ্লুয়েঞ্জার ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের ক্ষেত্রে। তাঁরা কিন্তু কোভিডেও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন।

করোনাভাইরাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন