বিজ্ঞাপন

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলো) ডা. মো. ফরিদ হোসেন মিঞার স্বাক্ষর করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ পরীক্ষার সর্বোচ্চ মূল্য হবে ৭০০ টাকা। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে বাসা থেকে নমুনা সংগ্রহে অতিরিক্ত চার্জ ৫০০ টাকা রাখা যেতে পারে। একই পরিবারের একাধিক সদস্যের নমুনা সংগ্রহের ক্ষেত্রেও চার্জের পরিমাণ বেশি হবে না।

করোনা শনাক্তে সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত ও সংবেদনশীল পদ্ধতি হচ্ছে আরটি-পিসিআর বা রিভার্স ট্রান্সক্রিপ্টেজ পিসিআর। আর আরেকটি ব্যবহৃত পদ্ধতি হলো অ্যান্টিজেন।
দেশে গত ডিসেম্বর মাসে করোনাভাইরাস শনাক্তের অ্যান্টিজেন পরীক্ষা চালু হয়। শুরুতে এতে নমুনার সংখ্যা কম পাওয়া গেলেও পরে বাড়তে থাকে।

কারও শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি রয়েছে কি না, সেটি র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষার মাধ্যমেও নিশ্চিত হওয়া যায়। র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের প্রধান সুবিধা হলো ৩০ থেকে ৪০ মিনিটের মধ্যে টেস্টের ফলাফল পাওয়া যায়।

default-image
default-image
করোনাভাইরাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন