default-image

যুক্তরাজ্যে উৎপত্তি হওয়া করোনাভাইরাসের নতুন স্ট্রেইন বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়ার নজির এখনো পায়নি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তবে গত ৫ জানুয়ারি দেশে নতুন এই স্ট্রেইন শনাক্ত হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা এ কথা জানিয়েছেন।

রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক তাহমিনা শিরিন আজ বুধবার সকালে প্রথম আলোকে বলেন, ‘নতুন স্ট্রেইন শনাক্ত হওয়ার পর আমরা কন্টাক্ট ট্রেসিং করেছিলাম। কিন্তু এই স্ট্রেইনে দেশে আক্রান্ত হওয়ার কোনো নজির পাওয়া যায়নি।’

করোনাভাইরাস নিয়মিতভাবে রূপান্তরিত হচ্ছে। রূপান্তরিত নতুন একটি ধরন বা স্ট্রেইন গত ডিসেম্বরে যুক্তরাজ্যে শনাক্ত হয়। নতুন এই ধরনটির সংক্রমণ ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে বেশি বলে বিজ্ঞানীরা সতর্ক করেছিলেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ তখন থেকে যুক্তরাজ্য থেকে আসা নাগরিকদের ওপর নজরদারি বাড়িয়ে দেয় বা বাড়তি সতর্কতা নেয়।

বিজ্ঞাপন

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, যুক্তরাজ্য থেকে আসা প্রবাসী বাংলাদেশিদের শরীরে করোনাভাইরাসের নতুন ধরন বা স্ট্রেইন শনাক্ত হয় ৫ জানুয়ারি। পাঁচজনের শরীরে এই ভাইরাস শনাক্ত হয়। তাঁরা প্রত্যেকে যুক্তরাজ্য থেকে ফিরেছিলেন। তাঁদের অবস্থান ছিল ঢাকা ও সিলেটে। কয়েকজনকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন করা হয়, বাকি ব্যক্তিদের বাড়িতে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় থাকতে বলা হয়।

যুক্তরাজ্য থেকে আসা যেকোনো ব্যক্তিকে এখন বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনে রাখছে সরকার।

আইইডিসিআরের পরিচালক বলেন, ৫ জানুয়ারি শনাক্ত হওয়ার পর ওই ব্যক্তিরা যাঁদের সংস্পর্শে এসেছিলেন, তাঁদের খুঁজে বের করা হয়। কিন্তু সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের কারও শরীরে নতুন স্ট্রেইন পাওয়া যায়নি। নজরদারি অব্যাহত আছে।

করোনাভাইরাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন