বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ ও রফাতুল্লাহ কমিউনিটি হাসপাতালের সহকারী নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুর রহিম বলেন, জ্বর-শ্বাসকষ্টসহ করোনার উপসর্গ নিয়ে সাইদুর রহমানকে ৪ নভেম্বর হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি করা হয়। নমুনা পরীক্ষার পর ওই দিনই তিনি করোনা শনাক্ত হন। অবস্থার অবনতি ঘটলে ৮ নভেম্বর তাঁকে হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে তিনি মারা যান।

সানোয়ার হোসেনের ছোট ভাই ও শেরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব জানান, জ্বর-শ্বাসকষ্টসহ করোনার উপসর্গ দেখা দিলে সপ্তাহ দুয়েক আগে তাঁর ভাইকে (সানোয়ার) বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে নমুনা পরীক্ষার পর তিনি করোনা পজিটিভ শনাক্ত হন। অবস্থার অবনতি ঘটলে পরে তাঁকে রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার রাত পৌনে ১০টার দিকে তিনি মারা যান।

বগুড়ার ডেপুটি সিভিল সার্জন মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বুধবার পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে জেলায় আরও ৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৮ হাজার ৩১৫। এ পর্যন্ত করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা ১৯৬।

করোনাভাইরাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন