বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিসিএসআইআরের গবেষক মো. সেলিম খান, মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. মোরশেদ হাসান সরকার এতে সহযোগিতা করেন।

জিনোম সিকোয়েন্সে দেখা যায়, ১০টি নমুনার মধ্যে ছয়টিতেই ইউকে ভেরিয়েন্টের (B.1.1.7) এর উপস্থিতি রয়েছে। তিনটিতে দক্ষিণ আফ্রিকান ভেরিয়েন্টের (B.1.351) উপস্থিতি রয়েছে। তবে কোনো নমুনাতেই বর্তমানে ভারতে চিহ্নিত ভেরিয়েন্টের (B.1.617) উপস্থিতি নেই। একটিতে পাওয়া যায় অস্ট্রেলিয়ার ভেরিয়েন্ট। মার্চ ও এপ্রিলে আক্রান্ত বিভিন্ন বয়সের রোগী থেকে নমুনাগুলো নেওয়া হয়েছিল। আক্রান্ত রোগীদের পাঁচজনকে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিতে হয়। তার মধ্যে ইউকে ধরনের তিনজন রয়েছেন। বাকি দুজনের মধ্যে একজন দক্ষিণ আফ্রিকার ও অপরজন অস্ট্রেলিয়া ভেরিয়েন্টে আক্রান্ত ছিলেন।

উপাচার্য গৌতম বুদ্ধ দাশ বলেন, ১০টি নমুনা বিশ্লেষণে দেখা যায় দ্বিতীয় ঢেউয়ে চট্টগ্রাম অঞ্চলে এপ্রিলের ৫ তারিখের আগ পর্যন্ত সম্ভবত ইউকে ভেরিয়েন্টের আধিক্য ছিল। একই সময়ে দক্ষিণ আফ্রিকান ভেরিয়েন্টের উপস্থিতিও ছিল। তবে আরও বেশি নমুনা থেকে ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্স করলে প্রকৃত চিত্র বেশি পরিষ্কার হওয়া যাবে।

সিভাসু করোনা সংক্রমণের শুরুর দিকে আরটি–পিসিআর ল্যাব স্থাপন করে রোগ শনাক্তে সহযোগিতা করে আসছে। এ ছাড়া রোগীদের ওপর বিভিন্ন গবেষণা পরিচালনা করছে। সম্প্রতি করোনার টিকার প্রথম ডোজ গ্রহণকারী ২০০ জনের ওপর গবেষণা চালিয়েছে। তাতে টিকা গ্রহণকারীরা আক্রান্ত হলেও তুলনামূলক কম ঝুঁকিতে পড়ছেন বলে তাঁদের গবেষণায় উঠে আসে। এরপর ভাইরাসের জীবন রহস্য উন্মোচনে হাত দেন এখানকার গবেষকেরা।

এ গবেষণায় সহযোগিতা করেন সিভাসুর পাঁচ ভেটেরিনারি চিকিৎসক ইফতেখার আহমেদ, ত্রিদীপ দাশ, প্রণেশ দত্ত, মো. সিরাজুল ইসলাম ও তানভীর আহমদ নিজামী।

জিনোম সিকোয়েন্স সম্পর্কে জানতে চাইলে বিশেষায়িত কোভিড চিকিৎসাকেন্দ্র জেনারেল হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক মো. আবদুর রব প্রথম আলোকে বলেন, উদ্যোগটি ভালো। তবে আরও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক নমুনা হলে সার্বিক সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাবে।

করোনাভাইরাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন