বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জনস্বাস্থ্য অধিকার রক্ষা পরিষদের আহ্বায়ক চিকিৎসক মাহফুজুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত ৭৫ থেকে ৮০ শতাংশ মানুষকে টিকা দিতে না পারলে হার্ড ইমিউনিটি হবে না। করোনার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হলে এটা অবশ্যই দরকার। ২০ শতাংশ মানুষ খুবই নগণ্য। শিশুদেরও টিকার আওতায় আনা দরকার। তবে এটা পর্যায়ক্রমে আসবে।

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ইপিআই তথ্যমতে, চট্টগ্রামে মোট জনসংখ্যা ৯৫ লাখ ৫১ হাজার ৬০৫ জন। এর মধ্যে টিকার জন্য বিবেচিত হচ্ছেন পঁচিশ বছরের বেশি বয়সী সাধারণ নাগরিক ও আঠার বছরের বেশি বয়সী শিক্ষার্থীরা। সে হিসেবে টিকা প্রাপ্যতার সংখ্যা মোট জনসংখ্যার চেয়ে আরও কমবে।

জানতে চাইলে সিভিল সার্জন মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, টিকা প্রাপ্যতা মোট জনসংখ্যার চেয়ে আরও কম হবে। বর্তমানে দেশে ২৫ বছর পর্যন্ত টিকা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ১৮ বছরের বেশি বয়সী শিক্ষার্থীদের টিকাকরণের সুযোগ রয়েছে। বয়স আরও কমিয়ে আনলে টিকা প্রাপ্যতার সংখ্যা বাড়বে।

চট্টগ্রামে মোট জনসংখ্যার ২০ শতাংশ ন্যূনতম একটি ডোজ পেয়েছে উল্লেখ করে ইলিয়াছ চৌধুরী বলেন, ‘এটা চলমান প্রক্রিয়া। টিকাদানের লক্ষ্য পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এই কার্যক্রম চলবে।’

চট্টগ্রামে মোট জনসংখ্যার মধ্যে সিটি করপোরেশনের আওতাভুক্ত রয়েছে ৩৫ লাখ ৯৭৭ জন। বিভিন্ন উপজেলায় রয়েছেন ৬০ লাখ ৪৫ হাজার ৬২৮ জন। এই জনসংখ্যার মধ্যে টিকার জন্য নিবন্ধন করেছেন ৪০ লাখ ৫৯ হাজার ২১৫ জন। নিবন্ধনের ২৮ শতাংশ উভয় ডোজ ও ৪৮ শতাংশ প্রথম ডোজ পেয়েছেন।

চট্টগ্রামে বর্তমানে টিকার মজুত রয়েছে সাড়ে ৪ লাখ ডোজের মতো। এর বেশির ভাগই সিনোফার্মের। এ ছাড়া গত সোমবার মধ্যরাতে চট্টগ্রামে প্রথমবারের মতো ১৬ হাজার ৩৮০ ডোজ ফাইজারের টিকা এসে পৌঁছেছে। আগামী শনিবার থেকে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের হাসপাতালে ফাইজারের টিকাদান শুরু হবে। এর আগে চট্টগ্রামে অ্যাস্ট্রেজেনেকা ও মডার্না টিকাও আসে।

নগরের ১০টি কেন্দ্রে টিকাদান অব্যাহত রয়েছে। এ ছাড়া সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালেও টিকা দেওয়া হচ্ছে। জেলার ১৪টি উপজেলায় টিকা দেওয়া হচ্ছে মূলত উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে।

করোনাভাইরাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন