বিজ্ঞাপন

সাংসদ ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, বিকল্প প্রস্তাবে কী কী বিষয় থাকবে, তা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বা মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নেবে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিষয়ে যাতে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হয়, সে–সংক্রান্ত চিঠি মন্ত্রণালয়ে দেওয়া হবে। প্রাথমিকভাবে ভাবা হচ্ছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জের রোগীদের বগুড়া বা নওগাঁর হাসপাতালে পাঠানো হোক। কারণ, রাজশাহী মেডিকেলে রোগীর সংখ্যা বেড়ে গেছে।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসাধীন মোট করোনা রোগীর অর্ধেকেরও বেশি চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাসিন্দা। গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত হাসপাতালে মোট করোনা রোগীর সংখ্যা ছিল ১৪৬। এর মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাসিন্দা ৭৭ জন।

রামেক হাসপাতালে আর চাঁপাইনবাবগঞ্জের রোগীর চাপ সামাল দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। রোগীর সংখ্যা বেড়ে গেছে।
ফজলে হোসেন বাদশা, সাংসদ, রাজশাহী সদর

গতকালের বৈঠকে হাসপাতালের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ফজলে হোসেন বাদশা চাঁপাইনবাবগঞ্জ–সংলগ্ন ভারতীয় সীমান্ত বন্ধ রাখার প্রস্তাব করেন। এই প্রস্তাব সভায় অনুমোদন হয়। এ নিয়ে হাসপাতালের পরিচালকের রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারকে একটি চিঠি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এ ছাড়া চাঁপাইনবাবগঞ্জে লকডাউন দেওয়ারও প্রস্তাব করা হয়। সেখানকার রোগীদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তাব রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের মাধ্যমে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়।

বৈঠকে হাসপাতালে আরও ১ হাজার রোগীর জন্য নতুন ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে সাধারণ রোগীদের সাবেক সদর হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালে করোনা রোগীর বেশির ভাগই চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভারতীয় সীমান্তবর্তী শিবগঞ্জ উপজেলার।

ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, রামেক হাসপাতালে আর চাঁপাইনবাবগঞ্জের রোগীর চাপ সামাল দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। শিবগঞ্জ উপজেলার সীমান্ত পুরোটা সুরক্ষিত নয়। তাই বিজিবি ও পুলিশকে নজরদারি বাড়াতে বলা হয়েছে।

করোনাভাইরাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন