বিজ্ঞাপন

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, চীন থেকে সম্প্রতি ২০ লাখ ডোজ টিকা এসেছে। ওই দেশ থেকে আরও দেড় কোটি টিকা আসবে। চীনের এই টিকার পাশাপাশি কোভ্যাক্স থেকে চলতি মাসেই অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও মডার্নার টিকা আসবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘১৮ বছরের ঊর্ধ্বের বয়সীদের টিকা দেওয়ার যুক্তি হলো আমরা আমাদের ছেলেমেয়েদের স্কুল-কলেজে পাঠাতে চাই। শিক্ষকদের আমি টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি।’

জাহিদ মালেক আরও বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের জীবনের একটি বছর নষ্ট হয়েছে। তারা স্কুল-কলেজে যেতে পারছে না। এটি দেশের জন্য, জাতির জন্য ঝুঁকি হয়ে যাবে। সে জন্য এই বয়সীদের টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা হাতে নিয়েছি।’

গ্রামের লোকের টিকার নিবন্ধন করতে অসুবিধা হয়। এ জন্য তাঁদের জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে টিকা নেওয়ার পরিকল্পনাও হাতে নেওয়ার কথাও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, এটি পরে চালু করা হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, দেশে তিন কোটি ডোজ টিকা সংরক্ষণের সক্ষমতা আছে। আরও টিকা রাখার বন্দোবস্ত করার জন্য চেষ্টা চলছে। টিকা কার্যক্রম ভালোভাবে চালু হয়ে গেছে। দেড় বছর যাবৎ স্বাস্থ্য বিভাগ কাজ করছে। নার্স ও চিকিৎসকেরা অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন। অনেকে মারা যাচ্ছেন।

জাহিদ মালেক বলেন, ‘এই করোনার মধ্যেও আমরা ৫০ হাজার লোক নিয়োগ দিয়েছি। চার হাজার নার্স ও দুই হাজার ডাক্তার নিয়োগ দেওয়া হবে।’

করোনাভাইরাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন