বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাসাবোর মায়াকানন এলাকা থেকে সকাল ছয়টার দিকে কেন্দ্রটিতে এসে করোনার টিকার জন্য লাইনে দাঁড়ান মো. রাসেল। তিনি বলেন, সকালে অনেক লম্বা লাইন ছিল। সাতজন করে কেন্দ্রের ভেতরে ঢোকানো হচ্ছে।

প্রবীণ ও অসুস্থ লোকজনকে টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দিয়ে কেন্দ্রের ভেতরে ঢোকাতে দেখা যায়।

৬৬ বছর বয়সী মোহাম্মদ আলী এরশাদ প্রথম আলোকে জানান, সকাল নয়টার দিকে তিনি এই কেন্দ্রে আসেন। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিতে পেরেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি বয়স্ক বলে আমাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।’

মুগদা নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের টিকাদানকারী লাবণী আক্তার জানান, এখানে ৭০০ জনকে করোনার টিকা দেওয়া হবে। সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ১৬৮ জনকে টিকা দেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দেখা গেছে, সকালের দিকে ভিড় একটু বেশি থাকে। পরে লোক কমতে থাকে।

এবারের গণটিকা কার্যক্রমের আওতায় টিকা গ্রহণকারীদের মুঠোফোনে খুদে বার্তা পৌঁছায়নি। পাড়া-মহল্লায় গভীর রাত পর্যন্ত মাইকিং করা হয়েছে। মাইকিং শুনেই টিকা নিতে যাচ্ছেন লোকজন।

গত ৭ ও ৮ আগস্ট প্রথম ডোজ টিকা গ্রহণকারীরা ৭ সেপ্টেম্বর টিকা নেন। আর ৯ ও ১০ আগস্টে টিকা গ্রহণকারীরা আজ ৮ সেপ্টেম্বর টিকা নিচ্ছেন। ১১ ও ১২ আগস্টে টিকা গ্রহণকারীরা ৯ সেপ্টেম্বর টিকা নেওয়ার সুযোগ পাবেন। যে কেন্দ্র থেকে প্রথম ডোজের টিকা দেওয়া হয়েছিল, একই কেন্দ্র থেকে দ্বিতীয় ডোজের টিকা নেওয়া যাচ্ছে।

করোনাভাইরাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন