বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

দেশে গত ডিসেম্বর মাসে প্রথম করোনার নতুন ধরন অমিক্রন শনাক্ত হয়। অমিক্রন এখন নতুন উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। প্রতিবেশী দেশ ভারতে অমিক্রন ছড়িয়ে পড়েছে। করোনার বিস্তার রুখতে পশ্চিমবঙ্গসহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে এরই মধ্যে আবার বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। সোমবার থেকে পশ্চিমবঙ্গের স্কুল-কলেজসহ সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। মানুষের চলাচলেও কড়াকড়ি আরোপ করা হচ্ছে। করোনার ডেলটা ধরনের বিপর্যয় পার করে আসা ভারতের রাজধানী দিল্লিতে সম্প্রতি আক্রান্ত ব্যক্তিদের ৮০ শতাংশের বেশি অমিক্রন শনাক্ত হয়েছেন।

তবে দেশের চলমান সংক্রমণ বৃদ্ধির প্রবণতা ডেলটার কারণে বলেই মনে করছেন তাহমিনা শিরিন। তিনি বলেন, ‘নভেম্বর মাসে ১০০ ভাগ রোগী ডেলটা ধরনে আক্রান্ত ছিলেন। এক মাসে তো তা উবে যাবে না। তাই আমরা বলতে পারি না যে অমিক্রনের জন্যই সংক্রমণ একটু একটু করে বাড়ছে।’

প্রতি মাসে করোনার জিন বিন্যাস বা জিনোম সিকোয়েন্সিং প্রতি মাসেই করে আইইডিসিআর। ডিসেম্বরের সিকোয়েন্সিং সম্পন্ন না হলেও গত মাসে অমিক্রনের কারণে সংক্রমণ বৃদ্ধির আশঙ্কা কম বলেই মনে করেন আইইডিসিআরের পরিচালক। তিনি বলেন, ‘আলফা বা বিটাকে অতিক্রম করে ডেলটা প্রাধান্যশীল হয়ে উঠেছিল। ডিসেম্বর মাসের কথা এখন বলতে পারব না। ডিসেম্বর মাসে সিকোয়েন্সিং এখনো হয়নি।’

গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দেশে করোনায় মৃত্যু, নতুন রোগী ও পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার—সবই বেড়েছে। ২৪ ঘণ্টায় (রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ৬৭৪ জন। এ সময় করোনায় আক্রান্ত চারজনের মৃত্যু হয়েছে।

করোনাভাইরাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন