বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এদিকে করোনার টিকার নিবন্ধন সহজ করার উদ্যোগ নিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের নতুন এক নির্দেশনায় বলা হয়েছে, অগ্রাধিকারভিত্তিতে টিকা পেতে প্রত্যেককে জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরের মাধ্যমে সুরক্ষা ওয়েবসাইটে গিয়ে নিবন্ধন করতে হবে। যাঁদের জাতীয় পরিচয়পত্র আগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে, তাঁদেরও নিবন্ধন নিতে হবে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়, ৫৫ বছরের বেশি বয়সী সব নাগরিক নিবন্ধন করতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তালিকায় থাকার প্রয়োজন নেই। এর কম বয়সী ব্যক্তিদের মধ্যে যাঁরা অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছেন, কিন্তু জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে নিবন্ধন করতে পারছেন না, তাঁদের প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ই-মেইল করে জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর পাঠাতে হবে।

বাংলাদেশে গত বছরের ৮ মার্চ প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। দেশে সংক্রমণ শুরুর দিকে রোগী শনাক্তের হার কম ছিল। গত মে মাসের মাঝামাঝি থেকে সংক্রমণ বাড়তে শুরু করে। আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত সেটি ২০ শতাংশের ওপরে ছিল। এরপর থেকে নতুন রোগীর পাশাপাশি শনাক্তের হারও কমতে শুরু করেছিল। মাস দুয়েক সংক্রমণ নিম্নমুখী থাকার পর গত নভেম্বরের শুরুর দিক থেকে নতুন রোগী ও শনাক্তের হারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়। নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে দৈনিক নতুন রোগী শনাক্তের গড় দুই হাজার ছাড়ায়। গত ১০ ডিসেম্বর থেকে নতুন রোগী শনাক্ত এবং শনাক্তের হার কম। চলতি বছরের অধিকাংশ দিন এক হাজারের কম রোগী শনাক্ত হয়েছে।

করোনাভাইরাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন